কবিতায় মেখলা ঘোষদস্তিদার

আহুতি
গাংচিলের ডানায় দিনের রং মুছে গেলে
অবেলার আঁধার সাজায় পান্ডুলিপি-
গ্রহণ লাগা বিরাণ প্রান্তর নিঝুম-
নীরবতা চিরে ঘনঘটার মঞ্চে বর্ষার আহুতি
শুধুমাত্র সূর্যের কাতর ডাকে সাড়া দিতে-
প্রতীক্ষার দুয়ারে ডুবন্ত চাওয়া রক্তের ক্ষরিত ধারায়-
ভালোবাসার প্লাবন;
কদমের ঘ্রাণ
শীতল ভেজা বাতাস
বালুকাবেলায় বোনিয়েম ঝড়
বুনোফুলের উগ্রতা ছিঁড়ে আদিমতা;
চিবুক ছুঁয়ে
গ্রীবাদেশে আঁচড় আলাপন
কথা বলে উষ্ণ স্রোত
অধরে-ওষ্ঠে
সিক্ত কারুকাজ-
রুদ্ধশ্বাসে বাকহারা দিশাহীন ধড়কন-
কাঁচুলির আড়ালে টানটান বৃন্ত
জল ছোঁয়া প্রগলভ আগুন ছড়িয়ে পড়ে
কোমরের নগ্নতায়
সর্পিল বারিশ মাদকতা;
নাভীমূল ছেড়ে গুপ্তধন রহস্যে-
সুড়ঙ্গ পথে আছড়ে পড়া ঢেউ-
এলোমেলো তুফান তোলে প্রাণরসে-
মধুময় নিবিড়তা রেখে যায়
শৃঙ্গার সমাপন গল্পে
নিঃস্ব দুটি মন,
ইতিহাস পর্দা টানে বর্ষন তুমুলে।