গদ্যের পোডিয়ামে অমিতাভ সরকার

প্রত্যাশার সঞ্চারবৃত্তে
আমি কিছুর মধ্যে ঢুকে গেলে কিছুতেই তার থেকে বেরোতে পারি না। সময় চলে যায়, মন অভিযোগ করে, অসুবিধা গালি পাড়ে, কিন্তু উঠে আসা আর হয় না।
বরং আরোই ঢুকে পড়ি। এমন অবস্থা হয়, যে আশেপাশের মানুষও বেশ চিন্তায় পড়ে যায়। আর এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনা থেকে বেরোনো যে কী কষ্টসাধ্য ব্যাপার তা কী বলব! আর আরও কঠিন, এই অবস্থাটা সবাইকে সঠিকভাবে অনুধাবন করানো। বোঝালে তো বুঝবেই না, উপরন্তু বেশি বললে বিরক্ত হবে, অথচ আপনি না বলেও থাকতে পারবেন না। এ এক অদ্ভুত পরিস্থিতি।
ঘুম ভাঙলে যেমন অন্য জগত থেকে মনকে টেনে আনতে হয়, এক্ষেত্রেও তাই। কিছুক্ষণ থামতে হয়, সমঝোতা করতে হয়, তারপর যখন চিন্তার এলোপাথাড়ি ঝড়বৃষ্টির পর আবহাওয়া একটু পরিষ্কার, তখন ঘড়ির কাঁটা যে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। ব্যস, খেয়ে শোয়া ছাড়া কী করার থাকে!
যেটা ভাবি করব না, বলব না, কার্যকালে সেই একই জিনিস, একই ঘটনা, একই কথা, একই এক্সপ্রেশান।
ফল যা হবার, তাই।
বাইরে হাসিখুশি দেখালেও ভিতরে প্রচণ্ড জ্বলুনি।
ঠিক গরমে ঘাম বসে বসে সেবার আমার পায়ে হওয়া চর্মরোগটার মতো।