গ এ গদ্যে মেরী খাতুন (পর্ব – ২)

এক মুঠো রোদ্দুর
সন্দীপদা ,জুলি বৌদি ,মা আর আমি এই চারজনকে নিয়ে আমাদের সুখের সংসার। বাবা অনেক দিন আগেই আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন।
এক দিন অফিস থেকে বাড়ি ফিরে দেখি বাড়ীর মহল একদম কেমন পাল্টে গিয়েছে।টুম্পা যে আমাদের ঘরে দু- বছর ধরে কাজ করছে ও ঘরের এক কোণে দাঁড়িয়ে কাঁদছে।দাদা চুপচাপ দাঁড়িয়ে আর মা বারবার একটাই কথা টুম্পা বল তোর পেটে যে বাচ্চা আছে তার বাবার নাম কি?আমার তো পা থেকে মাটি সরে গেল।টুম্পা?আমাদের টুম্পা মা হতে চলেছে।ষোল বছর বয়স চুপচাপ,নিরীহ টুম্পা মা হতে চলেছে?টুম্পার মাকে মা ডেকে পাঠিয়ে সবকিছু বলেছে।টুম্পার মাও টুম্পাকে অনেক প্রশ্ন করলো,চুলের মুঠি ধরে মারলো, ধমকালো তবুও টুম্পার মুখ থেকে কিছুই বের হয় না।তবে ওর লাজুক লাজুক চোখ যেন অনেক কিছুই বলতে চায়।ওর চোখ কেন ঘরের মহলও যেন কিছু বলতে চাইছে।টুম্পার সন্দীপদার প্রতি হঠাৎ ভয়ঙ্কর রূপ নেওয়া আর দাদার লজ্জায় ঘার নামানো সব কিছুই যেন না চায়তেই সব কিছু বলে দিচ্ছে।আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছিল না।যে কথা বই-এ পড়েছি,TV -তে দেখেছি আজ আমার বাড়িতে সত্যিকারের রূপ নিয়েছে?
টুম্পার মা লজ্জায়,ঘৃণায় টুম্পাকে সাফ জানিয়ে দিল আমার ঘরে তোর কোন জায়গা নেই।তুই মর,যা খুশি কর,যেখানে যাবি যা।এতো কষ্টে দিন মজুরি করে লালন-পালন করে মানুষ করার এই ফল দিলি।সর্বনাশী জন্মের পর মরে গেল তো আজ আমাকে এ দিন দেখতে হতো না বলে কাঁদতে কাঁদতে টুম্পার সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে বাড়ির বাইরে বের হয়ে গেল।
পর দিন মা টুম্পাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেল,কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল Abortion এর।বাড়ি ফেরার পর মা টুম্পাকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলে।
আমি তখন চিৎকার করে বলে উঠি টুম্পা কোথাও যাবে না ও এ বাড়িতেই থাকবে এবং আমাদের সাথেই থাকবে।ওর কোন দোষ নেই,যত দোষ তোমার ঐ গুণধর ছেলের।টুম্পাকে ঘর থেকে বের করার আগে তোমার ছেলেকে জিজ্ঞেস কর না?দেখছো না লজ্জায় কেমন মাথা নত করে দাঁড়িয়ে আছে।
মা আমার কথায় কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর আমাকে বলে তোর লজ্জা করে না বড় দাদার সম্বন্ধে এমন নোংরা কথা বলতে।হঠাৎ দেখি দাদা মায়ের কোলে মুখ গুঁজে কাঁদতে থাকে।বড় হওয়ার পর, বাবা চলে যাওয়ার পর,এই প্রথম বহুদিন পর দাদাকে কাঁদতে দেখি।দেখে মনে হচ্ছে যেন চোখের জলে আত্মশুদ্ধি করছে।মা আমি দুশ্চরিত্র নই।বলতে বলতে সন্দীপ সে দিনের ঘটনা মাকে বলতে থাকে।
জুলি pregnancy থাকায় মায়ের বাড়িতে ছিল।তাই টুম্পার কাছ থেকে চা, গরম জল,ভাত,টিফিন,পরিষ্কার বিছানা বা জামাপ্যান্ট পেতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি।যখন যা দরকার টুম্পা আঁকাবাঁকা কাঁচা লেখার লিস্ট বানিয়ে সামনে ধরেছে।কখনো অফিস ফেরত নিজেই কিনে এনেছি,কখনো টাকা দিয়ে দিয়েছি।এর বেশি কোনও সম্পর্ক——টুম্পা সম্বন্ধে কোনও চিন্তা ভাবনা করার দরকার-ই হয় নি।ও আমাদের সংসারে চাকার সঙ্গে জুড়ে ছিল,আছে,থাকবে।এই রকমটাই চলছিল। ঘরের দরজা জানলা থেকে টুম্পাকে আলাদা কিছু বলে আমার কখনো মনে হয় নি।
ওই দিন ছিল মঙ্গলবার।আমার অফিসে কোনো কারণে হাফ ছুটি হয়ে গিয়েছিল।আমি অফিস থেকে ফিরে জামাপ্যান্ট ছেড়ে শুয়ে পড়েছিলাম। টুম্পা বার দুই ঘরে এসেছিল জল-টল দিতে।মনে আছে ভালো করে ওর দিকে তাকানোর ও দরকার হয় নি।আমি খবরের কাগজ মুখে ধরে সন্ধ্যাবেলার কথা ভাবছিলাম।ভাবছিলাম জুলির কথা।জুলিকে কাল ওর মা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবে।আমি যেতে পারবো কিনা সে কথা।ভাবতে ভাবতে একটু রেস্ট নিচ্ছিলাম।আমি দুশ্চরিত্র নই।এমনও নয় যে সাধুসন্ত টাইপের কিছু।জুলির কথা ভাবতে ভাবতে কখন চোখ লেগে এসেছিল,কতক্ষণ ঘুমিয়েছি জানিনা।বৈশাখ মাসের বিকেলে মাঝে মাঝেই আকাশ কালো করে ঝড় ওঠে।সে দিনও উঠেছিল বোধ হয়।কারেন্ট চলে গিয়েছিল।হঠাৎ ঘুম ভাঙতেই দেখি টুম্পা দাঁড়িয়ে ওপরকার জানালা বন্ধ করার চেষ্টা করছে।আমি সামনে শুয়ে থাকায় জানলা হাতের নাগালে পাচ্ছে না।বাইরে এলোপাতাড়ি হাওয়া।হুড়হুড় করে ঢুকে পড়ছে শুকনো পাতা-কুটো-ধুলোর ঢেউ।টুম্পা বুঝতে পারেনি আমি জেগে আছি।আমার মুখের ওপর দিয়ে ঝুঁকে পড়ে জানলার পাল্লা টানতে চেষ্টা করছে।আমার নাকের খুব কাছে ওর ফুলছাপ ওড়না জড়ানো শরীর।চুড়িদারটা উঠে পড়ায় খানিকটা খোলা পেট।খোলা খোলা চুল।কী যেন হয়ে যায় মাথার ভিতর।একটা অচেনা অথচ ভীষণ আকর্ষক বুনো গন্ধ আমাকে চেনা পৃথিবী থেকে ছিটকে নিয়ে যায় অনেক দূরে———।দুহাতে জাপটে ধরি টুম্পাকে।চিতকরে শুইয়ে দিই।পাগলের মতো খুঁজতে থাকি,ওই বুনো গন্ধের উৎস।আচমকা টানে টুম্পা হয়তো দু সেকেন্ড হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল।ওর গলা দিয়ে অদ্ভুত একটা গোঁ গোঁ শব্দ বের হচ্ছিল।আমি এক হাতে ওর মুখ চেপে ধরেছিলাম।আমার ভেতরে কোনো শয়তান বলে দিচ্ছিল–টুম্পা সবসময়ই সদর দরজা ছিটকিনি দিয়ে রাখে।আর মা তো গিয়েছে পাশের বাড়ির কাকিমার কাছে। আসতে দেরি হবে। সবদিক থেকে আমি তাই নির্বিঘ্নে ছিলাম।নিজেকে থামাবার কোন দায় ছিল না।যতদূর মনে পড়ছে একসময় টুম্পার গোঁ গোঁ শব্দ থেমে গিয়েছিল।কেমন অদ্ভুত চোখে চেয়ে ছিল ও আমার দিকে।বাঁধা দেয় নি।
একসময় যখন কারেন্ট ফিরে এলো,দেখলাম টুম্পার ঘামতলে মাখানো মুখ। আমার দাঁতের সুস্পষ্ট দাগ ফুটে উঠেছে সেই মুখে,গালে ঠোঁটে।কখন সন্ধ্যা নেমে গেছে ,আলো জ্বলে উঠেছে।টুম্পা সেই অদ্ভুত চোখে আমার দিকে চেয়ে অবিন্যস্ত চুড়িদার গুছিয়ে তুলে ধরলো গায়ে।ধীর পায়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।তখন টুম্পা কাঁদছিল না,ওর চোখে একটুও জল ছিল না।কী যে ছিল,ঘৃণা-বিস্ময় নাকি অন্যকিছু। আমি দেখলাম দুহাতে মুখ ঢেকে আমি পড়ে আছি বালিশে মুখ গুঁজে।কিছু একটা আমার ছিল,অনেক দামি কিছু, যেন এইমাত্র তা নষ্ট হয়ে গেল।
সে দিন সন্ধ্যা থেকে তার পরের সমস্তটা দিন আমি ভয়ে ভয়ে ছিলাম।লোক জানাজানি হওয়ার ভয়।অসম্মানের ভয়।কিন্তু কিছুই করলো না টুম্পা।আমাকে অবাক করে দিয়ে ও ঠিক ঠিক করে যাচ্ছে প্রতিদিনের কাজকর্ম।শুধু আমি স্বাভাবিক হতে পারছিলাম না।আমার ঘারে,পিঠে,বুকে লেগে আছে ওর শব্দহীন বোবা চাউনি।কিন্তু আজ আমার সাদামাটা চরিত্রে হঠাৎ লেগে যাওয়া কলঙ্ক যেন বাজারচলতি কোন ডিটারজেন্টেই তা ওঠার নয়।
হঠাৎ দেখি মা দাদাকে ধাক্কা দিয়ে ছিটকে ফেলে দিয়ে বলে যা সর্বনাশ করার তা তো করেছিস।এই এলাকায় তোর বাব-ঠাকুরদার যা নাম,যশ ছিল এই পরিবারের যা মানসম্মান ছিল সব তুই মাটিতে মিশিয়ে দিলি। হায় ভগবান! এই দিন দেখার জন্য তুমি কি আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছো।এদিন দেখার আগে আমার মরন কেন হলো না।মাও কাঁদতে থাকে।আমি মা আর টুম্পাকে ঘরে ভিতরে নিয়ে চলে যায়।
বলে না মোহিত, দেওয়ালেরও কান আছে।তাই দেওয়ালের ওপারে টুম্পার কথা আর লুকানো থাকে না।দাদা আর বৌদির সাত বছরের প্রেম তারপর বিয়ে।বৌদি দাদাকে ভালো বুঝতো,জানতো আর ওদের মধ্যে ভালোবাসা ও নিবিড় ছিল।তাই বৌদি সবকিছু সামলে নিয়েছিল।
কিন্তু যেখানে আমার বিয়ের কথা হয়েছিল ওখানে এই খবর রটে যাওয়ায় ছেলে পক্ষ থেকে এ বিয়ে হবে না বলে দেয়।
একদিন টুম্পা হাসপাতালে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়।ওর কাছে আমি ছাড়া কেউ ছিল না।ওর আপনজন তো আগেই ওর সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে দিয়েছিল।আর যার ভরসায় টুম্পা ছিল সে তো আর কি বলবো……ডাক্তার এসে বললো বেবি একদম সুস্থ,কিন্ত মায়ের অবস্থা সংকটাপন্ন, রক্তপাত বন্ধ করা যাচ্ছে না।প্রথম বার যখন নার্স বেবিকে আমার কোলে তুলে দিল,আমি ওর চোখের রোশনীর দিকে তাকাতেই পারছি না।মনে হচ্ছিল বেবি যেন ওর চোখের ইশারায় বলতে চাইছে ওর কি দোষ?যে সারা জীবন ওকে পাপের বোঝা নিয়ে চলতে হবে।সারারাত আমার টুম্পার চিন্তায় ঘুম হয় নি।
সকালে হাসপাতালে দেখি টুম্পা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। বুঝতে পারি ওর কাছে আর বেশি সময় নেই।আমি ডাক্তারের কাছে ছুটে গিয়ে বেবির সব দায়িত্ব নিতে চাই।হাসপাতালের ডাক্তার আমার কোলে বেবিকে তুলে দেয়।আমি বেবিকে নিয়ে টুম্পার কাছে গেলে টুম্পা নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ে।
ঘরে তো চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়।ঘরের লোক,বন্ধু-বান্ধব,আত্মীয়স্বজন,পাড়াপড়শি সবাই আমাকে খুব বোঝায় কিন্তু আমি কারোর কথা শুনি না।বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় মাও খুব ভেঙে পড়ে।সমাজের লোক আমাকে ছিঃছিঃ করতে থাকে।কাউকেই আমি আমার পাশে পেলাম না।যত না দুঃখ আমি আমার বিয়ে ভাঙার ক্ষেত্রে পেলাম তার চেয়ে বেশি দুঃখ পেলাম এদের নোংরা ব্যবহারে।ঘরে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়েছিল।এই ছোট নির্মল শিশুকে দেখে কারও পাপের কথা মনে হতো তো কারও অপমানের।এইভাবে তিন বছর কি ভাবে যে কেটে গেল।এর মাঝে কখনো বিয়ের কথা আর ওঠে নি।আর কেই-বা করবে এক কুমারী অবিবাহিত মাকে বিয়ে?
এদিকে আমি মিউচুয়াল Transfer-এর চেষ্টা করছিলাম।কেন যে ঘর ছাড়ার জন্য তো একটা বাহানা চায়।এমনি তো আর ঘর ছেড়ে চলে যেতে পারি না।শেষ পর্যন্ত আমার Transfer বর্ধমানে হয়।মা-ই খুব ভেঙে পড়েছিল।দাদা-বৌদি চুপচাপ ছিল।কেউ কিছু বলে নি।
একসাথে এতো কথা বলায় মৌরির গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছে,সূর্য ডুবে গিয়েছে,কিন্তু এখনো সন্ধ্যা হতে দেরি আছে।মোহিত কিছুই বলছে না।মনে হচ্ছে ওর আর এসব শোনার ইচ্ছেও নেই।রোশনী কখন যে ওর কোলে ঘুমিয়ে পড়েছে বুঝতেই পারি নি।চার বছর আগে এই দিনেই তো আমি রোশনীকে……চিন্তা করছি কি মোহিত বলে উঠলো–
—-তোমার কোন সঙ্গীর দরকার নেই?
—-এখন পর্যন্ত তো না,তবে কে বলবে। চার-পাঁচ বছর পরেও যেন না দরকার পরে।তখনকার ব্যাপার তখন দেখা যাবে।
মোহিত বললো কিছু ভেবেই তো এতো বড় দায়িত্ব নিয়েছো।
—শুধু এটা ভেবেই যে আর যেন কেউ টুম্পা না হয়,আর কোন রোশনী জন্ম না নেয়।জানি এই পৃথিবীতে কত না রোশনী হবে,তবে সবাইকে তো বাঁচাতে পাড়বো না,আর দায়িত্বও নিতে পারবো না।তবে হ্যাঁ একটা জীবনের তো সব দায়িত্ব নিতে পেরেছি,বাঁচাতে পেরেছি রোশনীর মা হয়ে।পৃথিবীর সব থেকে ভালো মা।তাই না?
—–‘তো তোমার জন্য কে আছে?মোহিত বলে উঠলো।
—–কেন রোশনী আছে তো?
মৌরি হাসতে হাসতে রোশনীকে নিয়ে উঠে দাঁড়াই।আর সাথে মোহিত ও।ঘরে এসে ঐ রাতে ভালো ঘুম হলো।চার বছরের জমা বোঝা যেন মাথা থেকে নেমে গেল।কাউকে তো বোঝাতে পারলাম।তবে হ্যাঁ মা কিছুটা বুঝতো কিন্তু ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে সব কিছু না বোঝার ভান করতো।এতো লোক থাকতে মোহিতকেই কেন এতো কিছু বললাম এটা মৌরি নিজেই বুঝতে পারল না।ও তো আমার কাছে এক সহকর্মী আর বন্ধু ছাড়া কিছুই না।মনে হয় এটাই ভালো বন্ধুত্ব।
—-পরের দিন অফিসে মৌরি দেখে টেবিলে একটা খাম পড়ে আছে।ওর ভিতরে একটা চিঠি।চিঠি খুলে দেখে কিছু লাইন লেখা আছে।
“আজকের পর রোশনী আর তোমার সম্পর্কে কেউ যদি কিছু কথা বলে ,অপমান করে তাহলে সেখানে তুমি আমাকে পাশে পাবে।জানি তুমি রোশনীর পৃথিবীর সবথেকে শ্রেষ্ঠ মা,তবে দেখো ওর বাবাও পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ বাবা হয়ে উঠবে।শুধু তোমার উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম—–
মোহিত।
চিঠি পড়া শেষ হতে না হতেই পেছন থেকে ‘মা’এর ডাক ভেসে আসলো।মৌরি পিছন ফিরে দেখে রোশনী মোহিতের কোলে খেলা করছে।রোশনী দুহাত দিয়ে মোহিতের হাতের ঘড়িটা খোলার চেষ্টা করছে,যেখানে সূর্যের আলো এসে চিকমিক করছে।
‘মা দেখো আমি রোদ ধরেছি’।
রোশনী আর মোহিত দুজনেই হাসছে।সত্যিই তো! আমার মেয়ে “এক মুঠো রোদ্দুর”ধরেই নিল।