নিঃসঙ্গ বিরতিতে কেটে যায়
চা বিস্কুটের সন্ধ্যা ।
চাবির ছিদ্র দিয়ে গড়িয়ে আসে ধোঁয়া
দু আঙুলের মাঝে
আত্মগোপন করে
কখনো কলম, কখনো সিগারেট ।
নিশ্ছিদ্র আকুতিতে কেটে যায়
চা বিস্কুটের সন্ধ্যা ।
মোবাইলের চোখে চোখ রেখে
পাঠোদ্ধার করি পৃথিবীর ।
পৃথিবীটাকে কেমন
অ্যাবস্ট্রাক্ট মনে হয় ।
নিজেকে পিকাসো, দালি কিংবা গনেশ ।
নিস্ক্রিয় আরতিতে কেটে যায়
চা বিস্কুটের সন্ধ্যা ।
বাথরুমের মেঝেতে ছিটকে থাটে কোশমন্ডল ।
অনুবীক্ষণ যন্ত্র আনো
চোখে লাগিয়ে দেখো
কোনো এক অসম্পূর্ণ বাক্যের সম্পূর্ণতা চাটছে
শুক্রানুর লেজ ।
নিষ্কলঙ্ক বিরক্তিতে ভরে যায়
চা বিস্কুটের সন্ধ্যা ।
ড্রয়িংরুমের সুসজ্জিত সিরিয়ালের
পরদা তুলে ঢুকে পরে এই স্বঘোষিত কবিতা ।
টেবিলে চাপর মেরে চলকে ওঠে চা ।
জিভের কোনে খিস্তি রেখে
ঠোঁটের কোনে হাসি ।
ল টাকে উহ্য রেখে কজন বলে বাঃ
এভাবেই যদি ডুবে যাই
এভাবেই যদি মরে যাই
ইন্টারনেট শেষ
ইমেলগুলো যদি জমতে থাকে আউটবক্সের তলায়
ফোনের ব্যাটারি ফুরোনোর আগে
কেউ যদি ধার দেয় চার্জার
টিপে দেয় সুইচ
দাঁড়িটা টানবার আগে
কেউ যদি পাঠ করে জীবনানন্দ
কিংবা সুনীল নয়তো নবারুন
এভাবেই
হ্যা এভাবেই আমি মরে যাওয়ার মাঝে
ডুবে যাওয়ার মাঝে মাঝে
খাবি খেয়ে হা করে দম টেনে দাঁড়ি টেনে যাবো
আউটবক্স খালি করে ইনবক্স ভরাবো
আর
নিমগ্ন রতিতে কাটিয়ে দেব
চা বিস্কিটের সন্ধ্যা ।