ফুরফুরে প্রজাপতির মতো রঙিন মেয়েটি একদিন জিজ্ঞেস করেছিল।
আমি বলিনি, “তুমিই আমার সব কবিতার উৎসভূমি। তুমিই আমার বর্ণমালা, যতিচিহ্ন, না লেখা জটিল শব্দের মেঘও তোমায় ঘিরে!”
দেখা হলেই ঝর্ণাধারার মতো চঞ্চল হাসি, চোখের গভীর ইশারার রহস্য সন্ধানে আমার দিন কেটে যেত নেশাতুর আবেশে।
আমার কবিতায় তোমার নাম দিয়েছিলাম ‘বনদেবী’।
খরস্রোতা এক নারীর উচ্ছ্বল দিক্ বিদিক যাতায়াত। কখনও আচমকা মুখোমুখি করিডোরে।
আমার মুখে অপ্রস্তুত হাসি তুমি দেখেছিলে, বোঝনি, আসলে তোমার ক্রপ টপ আর রিপড জিন্সের মাঝে একফালি কোমরে আমার নিশাচর আঙ্গুল বহুবার
ছুঁয়ে গেছে পর্বত এবং গ্রস্ত উপত্যকা।
‘আজকাল এত ক্যাবলা হলে চলে না!’ জনান্তিকে বলেছিলে। আমি ছকভাঙা সাহসী হতে পারিনি!
জল গড়িয়েছে অনেক।
‘জীবনভর কবিতায় বেঁচে থাকা যায় না!’ বলে তুমি রসদ গুছিয়ে নিয়েছিলে বুঝেশুনে। শবরী জানে ও আসলে তোমার স্মৃতির কোলাজ! তবুও ভালবেসে সাদামাটা কবিকে কুড়িয়ে তার দিনযাপন ধ্রুবতারার মতো।