বলেছিলি,
স্বপ্নে বৃষ্টি এলে
এক রাত উজান গঙ্গা হেঁটে
তুই আমাকে জুঁই ফুলের বাগান
এনে দিবি !
সেই কবে থেকে অভিমন্যু চাঁদ
জটায় রেখে
উপবাসী বসে আছি।
নিরাসক্ত অক্ষরেখা ধরে
কত নীহারিকা এলো আর গেল,
মুঠো মুঠো অভিমানে ভরে দিল
ছায়াপথ,
অহল্যা হবো না আমি, অভিমানী পাখি
না হয় উড়ান দেবো দিগন্তের শেষে !
শুধু তুই বল,
একবিন্দু বৃষ্টিকণা যায় নি সেখানে !
মরুভূমি পথে তুই স্বপ্ন পেরোলি !!
২| আদিপদ
একটা অর্ধেক পাপ ডুবুডুবু পৃথিবী খুঁটে খুঁটে খাই। মরা কৃমি, মৃত নখ, সমুদায় হৃষ্টপুষ্ট ছাইপাশ আর
তারপর খুঁটিনাটি আব্বুলিশগুলো জমা করে
বেশ একটা আলো-অন্ধকার জ্বালিয়ে
হাত পা’গুলো সেঁকে নিই।
সেঁকোবিষে কোনো কালেই খুব একটা অরুচি ছিল না আমার, সে তুইও জানিস । সে কথা থাক। বরং যাওয়ার আগে আমি তোকে বস্তুবাদ কথাটির সম্যক অর্থ শেখাই।
তুই আমার অষ্টম গর্ভের সন্তান!
আমাকে ছাড়াই এই যে তুই রুটি না পেলে রংরুটে গিয়ে পাউরুটি ছিনিয়ে নিতে শিখে গেছিস , এ কি আমার কম স্বস্তির…
কানে কানে বলি শোন , মানুষের মতো হাত পা চোখ নাক মুখ – মুখোশ মুখোশ, সেই সব এঁটোকাটা…
ওদের শূলদন্ড দিয়ে শূন্যতা নয়, সম্ভ্রম ছুঁড়ে দিবি গর্ভবতী হস্তিনীর মতো আকাশের দিকে…
সন্তানসুখে আমি সেদিন
বজ্রের মতো উল্লাস হবো। গোটা আকাশটাকে জড়িয়ে ধরে অট্টহাসি হবো…
আমার অষ্টম গর্ভ কানু হারামজাদা
গলাগলি গলাগলি মৃত্যুর রাতে।
মাখন লাগে না তার চোর শিল্পী – হাতে