কবিতায় রুদ্র সুশান্ত

বাস্তবিক চৈতন্য

আমার চালায় খড় ছিলো না, চালা ছিলো শূন্য,
অথচ আমার কাছে ছিলো একঘর ভালোবাসা,
তুমি চালা খুঁজেছো, পেয়েওছ তাই, প্রেম বোঝনি, তাই পাওনি, এখন কেনো করো সেই আশা?
ডেকেছি আমি-বুক পেতে, সুখ দিতে।
তুমি চেয়েছিলে; রাজ বাড়ীর বৌ হতে।
হয়েওছ তাই– মস্তো দালান পেয়েছো, সে দালানে ভালোবাসা পাওনি, ভিখারীর মতো চেয়ে থাকতে, বর নামক প্রভূর মুখে।
তুমি বললে- “আমি ঘুমিয়ে পড়লে রাজ নর্তকী আসে, ঢকঢক করে গেলে আর নাচে আমার বরের বুকের ওপর। তখন ছাদ ফুটো করে মন চায় আকাশে মিলিয়ে যাই আমি। এ ছাদে আমার দম আটকে আছে।”
নারীহীন একটি ঘরে তুমি আজ বড্ড নারী,
ছেড়ে যেতে চাও, হতে চাওনা আর সংসারী।
আমার চালহীন ঘরটা তুমি এখন স্বপ্নে দেখো আর ভাবো, ওটা তোমার ঠিকানা হলে তুমি নাকি বাঁচতে। এখন তুমি মরো, প্রতি মুহূর্তে মরো, প্রতিরাতে মরো।
অথচ আমিই বলেছিলাম বেঁচে থাকতে তোমায়। তুমি সিংহাসন দেখেছো তখন, আর এখন দেখছো সিংহাসনের চেহারা।
ভালো থেকো বন্দী তুমি,
ভালো থেকো দাসী,
ভালো থেকে রাজ বাড়ীর বৌ,
আমার সুখ চাষী।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।