আমি চাই যেটুকু আমার প্রাপ্য,
যুদ্ধ করে সত্য দিয়ে সে’টুকু অর্জন করি।
সেখানে তোমার কোন ভাগ নেই, নেই কোন আবদার।
বাতাসের প্রবল গতি আর জলোচ্ছ্বাস দেখে চলে গেলে তখন, কতো করে বললাম ঝড় থাকবেনা আজীবন, আবার শান্ত হবে সময়, আবার মসৃণ হবে পথ, থাকো আমার সাথে এই অখন্ড মনোবলের প্রবল বিশ্বাসী তরীতে।
চৎকার করে না বলে হাতটা ঝামটা দিয়ে ছাড়িয়ে চলে গেলে উজ্জ্বল আলোয় নিজেকে বিলাতে।
রঙ, রস, আর অকাট্য আকাঙক্ষায় তোমাকে
মনে হয়েছিল নেশাখোর, নেশার টানে
একজন উন্মত্ত, যে চেনা পথ ছেড়ে অচেনায় পাড়ি দিতে করেছে পণ।
পেছন থেকে কতো ডেকেছি, কতো মায়া দিয়ে কথার পশরা সাজিয়ে মিনতি করেছি তবুও ফিরেও দেখোনি।
আজ পরন্তু বেলায় নিভো নিভো সূর্যরশ্মি গায়ে মাখতে যে ব্যাকুলতা তোমার চোখে মুখে দেখলাম তা’তে এতো দিনের তোমার প্রাপ্তির খাতা শূন্যই মনে হলো।
ঝড় এসেছে বলে আমাকে একা রেখে
বৈতনিক পথে কি পেলে।
আজ যাকিছু আমার পুরোটাই আমার, তোমাকে দেবার মতো স’বি নষ্ট করেছ উচ্চ খেয়ালে।
ঝড় শেষে আমিও সোজা হয়ে দাঁড়িয়েছি শুধু তোমার মতো অন্য কোথাও হাত বাড়াতে পারিনি,
পারিনি এই মন অন্য মনে জুড়তে।
এখনো পারিনি বুকের ক্ষতটাকে মুছে ফেলতে।
২। নীল বৃত্ত
বৃত্তের মাঝে বসবাস,
পাহারায় প্রতিটি সত্ত্বা।
শক্ত লোহার শিকলে পাতা ফাঁদ।
চারিচোখ জেগে আছে অগৌণ।
কতবার বৃত্তের বাহিরে
রাখতে চেয়েছি অস্তিত্ব
প্রতিবারই ফাঁদে অবরুদ্ধ হয়েছি
ঘুরপাক খেয়ে কোনমতে
ফিরে গিয়েছি আবার
বৃত্তের নীল বিষাদ ধোঁয়ায়।
গভীর আক্ষেপে মাঝেমাঝে নিজেই
ফিসফিসিয়ে বলি আর কতো
আত্ম চিৎকার জমা হবে।
আর কতো পুড়বো বৃত্তের তিক্ত উত্তাপে?