হাজার হাজার ফুট কল্পিত উচ্চে স্বর্গীয়
উচ্চারণে পুরুষাকারে জাগে কৌমুদী গান।
নীল পৌরুষের কৌতূহল আর রসায়নে
জন্মজন্মান্তর মাঠে ফসলের কার্নিভাল।
পৌরুষ আত্মস্থ করে চৈতন্যধ্বনির মদ
মদগুলি স্বর্গীয় রস হয়ে ঝরে সংগ্রামে।
ক্লান্তি নিভে গেলে বিপরীত চিত্রণ সকল
দুর্বোধ্য সমীকরণকেও দিচ্ছে বীর্য সিদ্ধি।
অসংখ্য অপ্রমাণিত পৌরুষও পৃথিবীকে
প্রদত্ত বিন্দু থেকে বহুদূরে টানছে রোজ।
তাহার যা কিছু দৃশ্য নয় সেখানে প্রতিটি
পরাক্রম এক একটি নক্ষত্র গ্রহ উপগ্রহ।
এমন কোনো উল্লাসের রেখা কক্ষপথে
নেই যার তুলনায় বীর্যহীন হবে পৌরুষ।
আচমকা দুর্ঘটনা হয়, বন্যার জল ভেঙ্গে
পড়ে সমূহ শরীরে, তথাপি সে কথা বলে।
হৃদয়ে লিপ্ত বর্গবেদনা নেই বিভ্রান্তি নেই
বীর্যের মধ্যে অসংখ্য নক্ষত্র রচিত আছে।