আমি তনিমা হাজরা। লিখি কবিতা, গল্প, অনুগল্প, মুক্তগদ্য, প্রবন্ধ।
ফিরবে বলে হাত নেড়ে বিদায় জানাচ্ছে যেসব সময়, তার সাথে যাতায়াতে ট্রেনেই আলাপ,
মুগ্ধবোধ ছেলে, বারবার তাকিয়েছিল দূর থেকে শুধু,
তারপর নেমে গেছে নির্দিষ্ট ষ্টেশনে,
না জানিয়েই ইতিউতি বিশদ পরিচয়।
বিছিয়ে দিয়ে গেছে মাদুরের মতো একবুনট ঘাস ঘাস সুখ,
এ বয়সে এমনই তো হয়,
গোলাপি কামিজের দিকে চোখ মেলে দিলে নীলরঙা শার্টটির
প্রাণের গভীরে গভীরে পিপারমিন্ট স্বাদ
জেগে রয়।
লিখতে লিখতে এমনই কত দিনগত অভ্যাস অক্ষর, আক্ষরিক অর্থেই শ্লেট ভেসে যায়,
তবু, কাব্য লেখা হয়ে ওঠে কই,
স্বরে আর ব্যঞ্জনে শুধু রোজ রোজ তীব্র কশাঘাত সই,
প্রাণের ভেতর অক্ষরমালার এমন অপরিমিত জমিজমা আছে, ফেলে রেখে কি হবে,
অগত্যা ভাগচাষে দিয়ে দিই
পাট্টা তাদের,
স্মৃতির বিভ্রম ঠেলে সেসব কতো মুখ
লাইনে দাঁড়িয়ে তার রোজকার মজুরি নিয়ে গেছে,
তাদের স্বেদ, দীর্ঘশ্বাস লেগে আছে কাঁধের গামছায়,
চক খড়ি ক্ষয়ে ক্ষয়ে খর্ব হয়ে যায়,
ক্ষয়ে ক্ষয়ে খর্ব হয়ে যায়।।