• Uncategorized
  • 0

শিশু মনোবিজ্ঞানে অভিভাবক দের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ইদানিং যুগে আমাদের রোজনামচা জীবনের নানান সমস্যার মধ্যে শিশুদের মনটাকে ভালো ভাবে বোঝা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশুদের চাদিদা তাকে ঠিক মতো না বুঝলে তারা যেতে পারে নানান বিপথে।
তাই শিশু মনোবিদ দের মতে
প্রত্যেক তা বয়েস অনুযায়ী পাল্টে যায় শিশুদের চাহিদা।
তারা আসলে কি চায় যেমন কোনো শিশু চিত্র অঙ্কনে মনোযোগী আবার কেউ নৃত্যকলায় পারদর্শী আবার কেউ সংগীত নিয়ে আগ্রহী। কিন্তু কিছু অভিভাবক সেটা বুঝতে পারেন না। তারা প্রতিযোগিতায় তাদের নামিয়ে দেয়। করতেই হবে, পেতেই হবে, এরম একটা ব্যাপার তাঁদের ওপর চাপিয়ে দেয়। যেটা ভীষণই ক্ষতিকারক প্রতিটি শিশুর পক্ষে। এমনকি তাঁদের বিকাশেও ঘাটতি ঘটে। বৃদ্ধির পরিমান ও মানসিক বিকাশও কমে যায়।
মনোবিদগণ মনে করেন, এই যুগে যে অবসাদ, তার থেকে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে চলেছে। তার জন্য অনেকাংশেই পিতামাতা দায়ী। তাঁদের বোঝা দরকার কোনদিকে তার শিশু পারদর্শী। সবাই তো ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয় না কেউ ভাষা চর্চায় পারদর্শী তো কেউ বিজ্ঞানে পারদর্শী। তারা আরো বলেন শিশুকে কখনো দেখাতে নেই যে সে খুব মূল্যবান সম্পদ তার মা বাবার জন্য। তাতে তারা সেটা বুঝে তার সুযোগ নিতে পারে। বিভিন্ন বয়সের শিশুর চাহিদা একেক রকম হয়ে থাকে। যেমন ১৫ থেকে ২০ বয়েসের শিশুদের চাহিদা বা ইচ্ছে বোঝাটা বেশ কঠিন এই বয়েসে বিপথে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।
শিশু মনোবিদরা তাই বলেন, শিশুদের বন্ধু হতে হবে অভিভাবকদের। যাতে তারা গোপনে বা লুকিয়ে কোনো কাজ না করে, বা, সেই মনোভাব পোষণ না করে। সেই মনোভাব যদি পিতা মাতা বুঝতে পারেন তাতে তাদের যেন ভালো ভাবে বুঝিয়ে অন্যত্র কাজে নিমজ্জিত করতে পারেন। তাতেই গড়ে উঠবে একটু সুন্দর শিশুর মন, ও তাদের একটি পরিপূর্ণ সাফল্যে ভরা জীবন।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।