মেহেফিল -এ- শায়র শাপলা সপর্যিতা

১. তোমার অপেক্ষা করি
প্রচুর লেখাপড়া করেও অতটা আধুনিক হতে পারিনি মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারিনি আস্তিক্যবাদ
পরম সম্পদ ঈশ্বরে সমর্পণ করি।
রাত জাগি
পাখা মেলি
দূর দূর যাই
পাশ্চাত্য কায়দা কানুন আমার চলে না
মাটির গভীর থেকে শুষে নিই জল
যত পাতালের দিকে ধাবমান
তুমি ততক্ষণে মোজা খুলে ফেলেছ
পুরোনো জুতো ডাস্টবিনে
তোমাকে বুকোওয়াস্কির মতো লাগে
মদের ঘোরে হারালো লিণ্ডাকে।
আমারও মধ্যরাতে দমবন্ধ হয়ে আসে
ভালেবাসায় যদিও প্রাণখোলে
এই একবিংশ শতাব্দীতে
বিশেষত আমরা কি জানি সম্পদ আর সম্পত্তির প্রভেদ!!!
তুমি রাতের শেষ প্রহরে ছুঁড়ে দিয়ে কিছু মোহর
কিনে নিয়েছ রাজ্যপাট
আমি নিশ্চিন্তে ঈশ্বরে সমর্পণ করেছি আমার সম্পদ…
২. টেকনোক্রেট হলে
লিখে ফেলে দেয়া যায় সংশোধিত খসড়া সকল।
পরিকল্পনা রূপলব্ধ হলে কামনার অশেষ।
পৃথিবীতে ঠাঁই নেই অচল জীবনের।
গাছেদের পাতায় বসে রেধে নিই আলো
ঢাকায় বসেও ফোটানো যায় বসরাই গোলাপ
বোশেখে বৃষ্টিজল ঢেলে দিতে পারি মরুতে
আমিতো রোজ স্নান করি ধুমল বৃষ্টিতে
বারোমাস বর্ষা ও শ্রাবণ হলেও
গোপনে বসন্ত চিরকাল।
যে হারিয়েছে ষড় ঋতুর পাঠ…
তার কাছে সকল ব্যথাই বিক্রির জন্য…
৩.বস্তু পৃথিবী নেমে আসে কোনো কোনো রাতে সুরাপাত্রে
দুই পেগে ঢেলে দেই সমুদ্র নহর
মাত্রাধিক্যেই কি বা এসে যায় !
তুমি যদি ভুল করো চাঁদ – কন্যার মুখ
আঁকা হবে না কি কোনদিন তার রূপ!
দুপুর কিবা সন্ধ্যায়
নেবে কি নেবে না তারে বিজন অন্ধকার!
হাত বাড়ালেই মুঠো মুঠো প্রেম
ব্যস্ত দিন অথবা ভয়াল রাত
করতলে, লুণ্ঠিত হবে জানি সোনার মোহর……….