ওপাশ থেকে হেঁটে যাবার সময় পড়ন্ত বিকেলের ঝাপটা এসে লাগে, ভয় হয়।
অন্ধকারে যেতে যেতে আলো লেগে যায় যদি!
সাধনায়, নিরবধনায় দাগ লেগে থাকে সেই
পিচ্ছিল নগর, এই সমস্ত যাত্রাঘট, আবিষ্ট পেণ্ডুলাম
চোখের কোণে যে আতর লেগে থাকে, তার কোন কোন গন্ধে তুমি নেই। থাকো না আজকাল, বহুদিন।
এমনও হয়েছে বহুবার, সাঁকো থেকে এক ডুবে বুড়ি ছুঁয়ে গেলে খুঁজে পাই।
এসব প্রসঙ্গ সব অযথা উঠবে ভেবে ভয় হয়।
উবু হয়ে দশ কুড়ি গুনে নুড়ি নুড়ি খেলা নিয়ে মেতে থাকি ভয়ে।
দেখি নাই, দেখি নাই সে কথা, ছুঁই না এখন। তবু মনে হয়
আমাকে বাঁচিয়ে রেখে ডুবে মরে গেছ বার বার,
বার বার।
সব মরণ নয় সমান (২)
জ্বলে যাই, পুড়ে যাই যত
সরে সরে আসি বারবার
এমনই রাত্রি এলে ঘরছাড়া হয়ে যায় চাঁদ
আলো অন্ধকার এসবই ফাঁকা কথা, বুলি
বাতাসের কানে কানে কথাগুলো ফুল হয়ে থাকে
রাতে তাতে শিশিরের ঝলকানি এলে,
তারা গোনা হয়ে যায় সব
ঘুম এসে এসে রাত চলে যায়, ঘুমোতে পারি না তবু
যে সমস্ত ছাই ছাই শব এদিকে ওদিক পড়ে পড়ে থাকে,
তাদেরই ব্যর্থ শিষ ছুঁয়ে থাকে অঘোর সকাল
বিন্দুবিন্দু ঘাসে ঘাসে আদরের ঝলকানি
আগুনের মতো এবারেও ছুঁয়ে চলে গেছ, কে জানে কখন
তবুও বিষাদ আসে, গাঙে ভাসে চোখ
পুড়ে যেতে যেতে পূতি গন্ধ মুছে সুবাস ছড়িয়ে দিয়ে গেছ তুমি
রাত্রের কোন অচেনা কোটরে।
সে গন্ধে, সরে সরে আসি বারবার। আমিও পুড়তে থাকি সকালের সিঁদুরে, শিশিরে।