প্রবন্ধে মৃদুল শ্রীমানী

জন্ম- ১৯৬৭, বরানগর। বর্তমানে দার্জিলিং জেলার মিরিক মহকুমার উপশাসক ও উপসমাহর্তা পদে আসীন। চাকরীসূত্রে ও দৈনন্দিন কাজের অভিজ্ঞতায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের সমস্যা সমাধানে তাঁর লেখনী সোচ্চার।

মহা প্রাচীন ভারতের জেনেটিক্স

আরো কিছু গল্প

কথায় বলে অঙ্গ বঙ্গ কলিঙ্গ। তো এক যে ছিল অঙ্গ রাজ। সেই রাজার পুত্র হল বেণ। বেণ চলতেন নিজের মতে।  প্রবল পরাক্রান্ত এই বেণ নিজের রাজ্যে যাগযজ্ঞ ও বলিদান নিষিদ্ধ করে পপুলারিটি হারান। তিনি রাজা বলে নিজেকেই ঈশ্বরের আসনে বসিয়ে দেন। একজন ব্যক্তির স্ত্রীতে অন্যের নিয়োগ এই বেণ চালু করেন। মহর্ষিগণ বেণ এর বিরুদ্ধে ক্যু করেন। বেণ এর মৃত্যু হয়। বেণ ছিলেন পুত্রহীন। ঋষিগণ মৃত বেণ এর দক্ষিণ হস্ত মন্থন করায় একটি রূপবান পুরুষের আবির্ভাব হয়। তাঁর নাম পৃথু। তিনি ছিলেন মুনি ঋষিদের আদর্শ শাসক। একে কি জেনেটিক্সের চমৎকার বলবো না?

সেকালের মুনি ঋষিরা জেনেটিক্সে তাঁদের অগাধ প্রতিভার আরো প্রমাণ রেখেছেন।
ইক্ষাকু বংশীয় নিমি বশিষ্ঠের শাপে মারা গেলে ঋষিরা তাঁর দেহ মন্থন করেন। মথিত দেহ হতে একটি কুমার জন্ম গ্ৰহণ করে। মৃতদেহ হতে জন্ম বলে সেই কুমারের নাম হয় জনক। বিদেহী ব্যক্তির থেকে জন্ম বলে এর এক নাম বৈদেহ। এবং মন্থন দ্বারা জন্মেছেন বলে আর একটি নাম মিথি। মিথি রাজার নাম থেকে উত্তর বিহার রাজ্যের নাম হয় মিথিলা। এই মিথি থেকে তার অধস্তন সকল পুরুষ জনক নামে খ্যাত হন।
( বিধি সম্মত সতর্কীকরণ : এই লেখা সাধু মহাত্মাগণ ও নাবালকেরা পড়বেন না।)
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।