প্রবন্ধে সোমনাথ রায়

পয়সা জমানো সবচাইতে জনপ্রিয় শখ শুধু নয়

তুমি এই মুহূর্তে কোন গিফ্‌ট পেলে সবচেয়ে খুশি হবে? অবশ্যই স্মার্ট ফোন বা ভিডিও গেমস কিংবা ইলেকট্রনিক কোন খেলনা, তাই না? আমি কিন্তু সবচেয়ে খুশি হতাম যদি আমাকে কেউ আমাকে একটা স্ট্যাম্প বা ডাকটিকিট দিত। এখনও কেউ দেশী বা বিদেশী স্ট্যাম্প বা কয়েন বা দেশলাই বাক্স দিলে বাঁধনছাড়া আনন্দ পাই।
শুধু ভারতের নয় বিশ্বের সবচাইতে জনপ্রিয় শখ পয়সা বা কয়েন জমানো। অবশ্য এখানে কয়েন বলতে মুদ্রা, কারেন্সী নোট এবং বিনিময়ের যে কোন বস্তুকে বোঝান হয়। এগুলো যারা জমান সাধারণত তাদের কয়েন কালেকটার বা মুদ্রা বিশেষজ্ঞ বলা হলেও তাঁদের একটা ভারী নাম আছে – সেটা হল ন্যুমিসম্যাটিস্ট আর কয়েন জমানো বা কয়েন নিয়ে পড়াশুনাকে পোশাকী ভাষায় বলা হয় ‘ন্যুমিসম্যাটিক্‌স’। আসলে গ্রীক ‘নমিজেইন’ (যার মানে ‘এখন ব্যবহৃত’) থেকে ‘নমিসমা’ বা ‘নমিসম্যাট’ (‘এখনকার মুদ্রা’)কথাটা এসেছে, সেখান থেকে ল্যাটিন ভাষায় ‘ন্যুমিসম্যাটিস’ ঘুরে ফ্রেঞ্চ ‘ন্যুমিসম্যাটিকস্‌’ থেকে ১৭৯২ সালে ইংরিজীতে কথাটি আসে।
কয়েন জমাবে কেন?
পৃথিবীতে যত জিনিষ জমানো হয় কয়েন জমানো তার মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয়। স্ট্যাম্প বা ডাকটিকিট–ও অনেকে সংগ্রহ করে কিন্তু মুদ্রা অনেক বেশি টেঁকসই কারণ মুদ্রা ধাতু দিয়ে তৈরি।  মুদ্রা যত পুরনো হয় তত সেটি দুর্লভ হয় আর তত তার দাম বাড়ে।

সবথেকে পুরনো সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য সবচেয়ে ভারী সবার থেকে বড় আর ছোট মুদ্রা

এশিয়া মাইনরের গ্রীক শহর এফিসুস-এ(বর্তমানে তুরস্কে)এখনও পর্যন্ত সব থেকে প্রাচীন মুদ্রা পাওয়া গেছে। পাঞ্চ-চিহ্নিত মুদ্রাগুলি ভারতের প্রথম দিকের মুদ্রা যা খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ থেকে ২য় শতাব্দীর মধ্যে তৈরি হয়েছিল – মগধ রাজত্ব (৪৩০-৩২০ খ্রি.পূ.), মৌর্য রাজত্ব (৩২২-১৮৫ খ্রি.পূ.)। আগ্নেয়গিরির লাভার টুকরোও মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হত। ৭ম শতাব্দীতে চীন দেশে প্রথম কারেন্সি নোট ছাপা হয়। পৃথিবীর সবথেকে ভারী মুদ্রার ওজন ১৫০ কেজি। ১৩৬৮ সালে সবথেকে বড় ব্যাঙ্ক নোট ছাপা হয় যেটির মাপ ছিল ২৩x৩৩ সেমি আর রোমানিয়ায় ১৯১৭ সালে সবথেকে ছোট – ২.২x৩.৮ সেমি – ব্যাঙ্ক নোট ছাপা হয়।

মুদ্রা সংগ্রহের শুরু

Charity begins at home অনুসারে বাড়ি থেকেই শুরু করতে পার। প্রত্যেকের বাড়িতেই নিজের দেশের পুরনো কিছু পয়সা পাবে। পুরনো [এখন অচল] ২, ৫, ১০ বা ২০ পয়সা যদি পাও তাহলেই কেল্লা ফতে – পুরনো ২ পয়সার বাজারমূল্য এখন (২০১৮) ২০,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা। এখনকার ১ টাকা, ২ টাকা বা ৫ টাকাই ধর – কত রকমফের! প্রত্যেকটা পয়সা যদি খুঁটিয়ে দেখ দেখবে কতরকমের তফাৎ চোখে পড়ছে। এগুলো জানার জন্য বই পাওয়া যায়। কয়েন সাধারণত প্রদর্শনীতে বা নীলামে বিক্রি হয় কিন্তু ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন ঘরে বসেই কয়েন বেচাকেনা করা যায়। যেই তুমি কয়েন বিক্রি করে নিজে রোজগার করবে, ব্যাস তখন তুমি নিজেই কয়েন কিনে তোমার কালেকশান বাড়াতে পারবে।
কয়েন জমানো কিন্তু আখেরে দারুণ লাভজনক। তাই এখন আমি তোমাদেরকে বলব কি ভাবে এই শখ শুরু করা যায়, কয়েনের যত্ন কিভাবে নিতে হয় আর এই শখকে কাজে লাগান যায়। নানা রকমের কয়েন আর কালেক্টারদের সম্বন্ধেও জানতে পারবে।

মুদ্রাসংগ্রহের হাল হকিকত

ভবিষ্যতের কথা ভেবে আমরা সবাই কিছু না কিছু অর্থ সঞ্চয় করি। আমরা ছোটবেলায় অনেকেই ‘পিগিব্যাংকে’ রোজ একটা করে কয়েন ফেলেছি। বড়রা টাকাপয়সাকে সব থেকে গুরুত্ব দিলেও ছোটদের কাছে এটা একটা শুধুমাত্র চক্‌চকে ধাতুর চাকতি। তাই ছোটরা ভবিষ্যতে অভাব অনটনের কথা ভেবে পয়সা জমায় না, ঝনঝন আওয়াজ করা অনেকগুলো দামী চক্‌চকে জিনিস জমানোর আনন্দে জমায়। কিন্তু তুমি যখন বড় হবে তখনও কি এই শখটা চালিয়ে যাবে? ঘটনা হ’ল সারা পৃথিবীতে এই রকম মানুষ অনেক আছেন যাঁরা অবসর সময়ে এই শখটা সানন্দে চালিয়ে যান আবার অনেকে এটাকেই সম্মানজনক পেশা হিসেবে নিয়েছেন। খুব কম খরচে এই শখ শুরু করা যায়। তাই ফাঁকা সময়ে তুমি কয়েন নিয়ে স্টাডি করতে পার আর এটা থেকে রোজগারও করতে পার।

কয়েন জমানো শুরু করবে কি ভাবে?

কয়েন জমানো শুরু করার আগে তোমাকে কালেক্টারের ‘চোখ’ তৈরি করতে হবে। যত  রকমের কয়েন হাতে পাবে সেগুলোকে ভাল করে দেখ। সব কয়েন জমানোর দরকার নেই। সাধারণ কয়েন থেকে দুষ্প্রাপ্য এবং দামী কয়েন আলাদা করবার মত দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
বাড়ির সব কয়েন ভাল করে দেখলে দেখবে যে কয়েকটি অন্যদের থেকে একেবারেই আলাদা। এগুলির ডিজাইন অন্য রকম, কোন বিশেষ ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এই কয়েনগুলি খুব কম পরিমাণে টাঁকশালে তৈরি হয়।
বাড়িতে বা পাড়ায় বড়দের পুরনো দিনের কয়েনের জন্য বলে দেখ। অনেকের কাছে এখনও কিছু কয়েন আছে যা এখন আর চলে না। যত পুরনো কয়েন, তার দাম কিন্তু তত বেশি।
তোমার পরিচিতদের মধ্যে কেউ বিদেশ থেকে ফিরছেন? তোমার জন্য যদি বিদেশি কয়েন নিয়ে আসেন তার থেকে ভাল গিফট আর কী হতে পারে?
কিছু টাকা থাকলে হবি শপ বা ইন্টারনেট থেকে কয়েন কিনে তোমার সংগ্রহ বাড়াতে পার।
এই শখ তোমার ভাল লেগে গেলে দেখবে যে তুমি সম্ভাব্য সব জায়গায় – হোটেল, দোকান ইত্যাদির ক্যাশ কাউন্টারে – কয়েন খুঁজে বেড়াচ্ছ আর কে বলতে পারে যে তুমি দুষ্প্রাপ্য কয়েন আবিষ্কার করবে না? সত্যিই যদি তাই হয় তাহলে সঠিক দাম দিয়ে তুমি ওই মুদ্রাটি সংগ্রহ করতে পার। এইভাবেই মাটি না খুঁড়েও তুমি অনেক দামী কয়েন পেয়ে যেতে পার।

কত ধরণের কয়েন কালেক্টর হয়

কয়েন জমানো শুরু করার পর তোমাকে ঠিক করতে হবে কি ধরণের কালেক্টর তুমি হতে চাও। কত রকমের কালেক্টর হয় তার একটা আভাষ দেওয়া যাক –
১। ক্যাজুয়াল কয়েন কালেক্টরঃ যারা নতুন চক্‌চকে কয়েন পেয়ে আলাদা করে রাখে, খরচা করতে চায় না তারা ক্যাজুয়াল বা নন-সিরিয়াস কয়েন কালেক্টর।
২। নভিস কয়েন কালেক্টরঃ ক্যাজুয়াল কয়েন কালেক্টর থেকে নভিস কয়েন কালেক্টর হবে যখন শুধুমাত্র নতুন কয়েন জমিয়ে আর তোমার মন ভরবে না। তুমি যতরকমে সম্ভব কয়েন সংগ্রহ করতে শুরু করবে। প্রতিটি নতুন সংগ্রহ তোমার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলবে।
৩। জেনেরালিস্টস্‌ কয়েন কালেক্টরঃ যদি তুমি সব আমলের বা সব দেশের কয়েন জমাতে থাক তাহলে তুমি জেনেরালিস্টস্‌ বা সাধারণ কয়েন কালেক্টর।
৪। স্পেশালিস্ট কয়েন কালেক্টরঃ যদি তুমি দেখ যে তোমার সংগ্রহে মুঘল যুগের কয়েন বেশি বা তুমি শুধু ভারতের মুদ্রা সংগ্রহ করতে আগ্রহী তাহলে তুমি স্পেশালিস্ট কালেক্টর হতে চলেছ। স্পেশালিস্ট কালেক্টররা শুধু এক ধরণেরই মুদ্রা সংগ্রহ করে। টাঁকশালে মুদ্রা তৈরি করার সময় কিছু মুদ্রায় ভুল থেকে যায়। অনেক স্পেশালিস্ট কালেক্টর শুধুমাত্র সেইগুলি সংগ্রহ করেন।
৫। কমপ্লিটিস্ট কয়েন কালেক্টরঃ স্পেশালিস্ট কালেক্টরের পরের ধাপ হ’ল বিশেষ ধরণের মুদ্রার প্রতিটি কালেক্ট করা। ঐ ধরণের যা যা মুদ্রা তৈরি হয়েছে তার প্রতিটি তোমাকে সংগ্রহ করতে হবে। সেটা যদি করতে পারো তাহলে তুমি কালেক্টরদের সব থেকে উঁচু ধাপে পৌঁছে যাবে যেখানে তোমার সঙ্গী হবে হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র।
কয়েনের মাধ্যমে তুমি কোন দেশের পুরাতত্ত্ব, নৃতত্ত্ব, ভূগোল, ইতিহাস, স্মরণীয় ঘটনা, মনীষী, খাদ্যাভ্যাস প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয়ে জানতে পারবে।
কী কী ধরণের মুদ্রা সংগ্রহযোগ্য
তুমি যখন মুদ্রা সংগ্রহে সত্যিকারের আগ্রহী হবে তখন তোমাকে ঠিক করতে হবে তুমি ঠিক কী ধরণের মুদ্রা সংগ্রহ করার ওপরে জোর দেবে। যে যে ধরণের মুদ্রা সংগ্রহ করতে পার তার একটা ছোট্ট তালিকা এখানে দেওয়া হ’ল –
  • বছরভিত্তিকমুদ্রাসংগ্রহঃ কিছু নামজাদা সংগ্রাহক বিশেষ কোন ঐতিহাসিক সময়ের মুদ্রা সংগ্রহ করেন – সে আধুনিক বা প্রাচীন যুগ যাই হোক না কেন। প্রাচীন মুদ্রা সংগ্রহ করা কষ্টসাধ্য। তুমি দুবছরের পুরনো সব ধরণের মুদ্রা সংগ্রহ করতে পার যেটা অনেক বেশি সোজা। সময়ের সাথে সাথে এই সব মুদ্রার দাম বাড়তে থাকবে আর তোমার মুদ্রা সংগ্রহ ও দামী হয়ে উঠবে।
                                                     রাজা অনন্তমাণিক্যের অর্ধনারীশ্বর মুদ্রা
দেশভিত্তিক মুদ্রা সংগ্রহঃ দেশভিত্তিক মুদ্রা সংগ্রহের দুটি প্রধান ভাগ আছে – নিজের দেশের বা অন্য দেশের মুদ্রা সংগ্রহ করা।
  • আকৃতিভিত্তিকমুদ্রাসংগ্রহঃ কিছু সংগ্রাহক বিশেষ আকারের মুদ্রার জন্য পাগল। কেউ হয়ত অবৃত্তাকার মুদ্রা সংগ্রহ করেন, কেউ বা ফুটো পয়সা জমান। এই ধরণের মুদ্রা সংগ্রহে প্রচুর ধৈর্য দরকার।
                                                      আসামের রূদ্র সিংহ-র  অষ্টভুজা মুদ্রা
  • মিন্টমার্ককালেকশনঃ সাধারণত মুদ্রাতে মিন্ট বা টাঁকশালের চিহ্ন দেওয়া থাকে যাতে কোন সমস্যা হলে সেই টাঁকশালকে চিহ্নিত করা যায়। কিছু সংগ্রাহক শুধু টাঁকশাল চিহ্ন সম্বলিত মুদ্রা সংগ্রহ করেন।
  • চিহ্ন বা ছবিওলা মুদ্রা সংগ্রহঃ কিছু সংগ্রাহক বিশেষ ধরণের চিহ্নওলা মুদ্রা, যেমন জাতীয় পতাকা বা অশোক স্তম্ভের চিহ্ন দেওয়া কয়েন জমান। কিছু সংগ্রাহক আবার ফুল, ফল, জীবজন্তু প্রভৃতির ছবি দেওয়া পয়সা জমান।
কয়েনের যত্ন
কয়েন শুধু জমালেই হবে না, তার থেকেও কঠিন কাজ কয়েনগুলিকে সযত্নে সুরক্ষার সঙ্গে রাখা। বেশীর ভাগ কয়েন যে ধাতুতে গড়া সেগুলো খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। দায়ী – বাতাসের আর্দ্রতা, আশেপাশের গরম, বায়ুদূষণ, অ্যাসিড বা ক্লোরিন মেশানো জল দিয়ে কয়েন পরিষ্কার অথবা কয়েনকে ভুল ভাবে নাড়াচাড়া করা। এইসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার উপায়ঃ
  • কয়েনএ্যালবামসংগ্রহকরাঃ বাঘ পোষার আগে যেমন বাঘের খাঁচা জোগাড় করতে হবে তেমনি কয়েন জমানোর আগে কয়েনের হোল্ডার বা এ্যালবাম জোগাড় করতে হবে। কারণ একটা জারে বা কৌটোতে রাখলে ঘষাঘষি করে সব থেকে বেশি কয়েন নষ্ট হয়। সব রকম দামের ও মানের ক্যাটালগ বা এ্যালবাম পাওয়া যায়। সেগুলি সংগ্রহ করতে হবে।
  • বেসমেন্টে, রান্নাঘরে, ওয়াশ রুমে কয়েন রাখা যাবে না। শোবার ঘরে বা লিভিং রুমে রাখা ভালো কারণ সেখানে তাপমাত্রা, ধুলো, জল চুঁইয়ে পড়া, এই সব সমস্যা কম।
  • কাঠের কোন বাক্সে বা ক্যাবিনেটে কয়েন রাখা একেবারেই যাবে না কারণ এগুলোতে কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় যেগুলো কয়েনকে নষ্ট করে দেবে।
সংগৃহীত মুদ্রার পরিষ্কারের পদ্ধতি
যে ধাতুগুলিতে মুদ্রা তৈরি হয় সেগুলির উপযুক্ত রাসায়নিক ব্যবহার না করে পরিষ্কার করলে মুদ্রা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বিভিন্ন ধাতুর তৈরি মুদ্রার পরিষ্কার পদ্ধতিঃ
  • তামাওব্রোঞ্জেরমুদ্রাঃ এগুলি তেঁতুল বা লেবু জলের হালকা মিশ্রণে চুবিয়ে নিয়ে টুথব্রাশ দিয়ে আলতো ঘষে পরিষ্কার করা হয়। অন্য পদ্ধতি হ’ল যে কোন ভোজ্য তেলে চুবিয়ে হালকা ঘষে পরিষ্কার করা। তারপর শুকনো করার জন্য নরম কাপড় দিয়ে হালকা চাপ দিয়ে মুছতে হবে।
  • অন্যান্যধাতুরমুদ্রাঃ এগুলিকে হালকা গরম সাবান জলে ধোয়া যায়। একটি করে মুদ্রা ঈষদুষ্ণ জলে ডুবিয়ে পরিষ্কার আঙুলে ঘষতে হবে। তারপর আগের মতই নরম কাপড় দিয়ে হালকা চাপ দিয়ে মুছতে হবে। না হলে ভিজে মুদ্রা বাতাসের সংস্পর্শে এলে মুদ্রা নষ্ট হয়ে যাবে।
রৌপ্য মুদ্রাঃ  রুপোর মুদ্রাও একই ভাবে সাবান জল দিয়ে টুথব্রাশ দিয়ে হালকা ঘষে পরিষ্কার করে নরম কাপড় দিয়ে হালকা চাপ দিয়ে মুছতে হবে।
মুদ্রা সংগ্রহের শখ থেকে অর্থোপার্জন
মুদ্রা সংগ্রহের শখ থেকে সহজেই তুমি রোজগার করতে পার। ইন্টারনেটের সাহায্যে কয়েন ডিলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তোমার মূল্যবান সংগ্রহ বিক্রি করতে পার। অযথা অন্য শখের পিছনে সময় নষ্ট না করে ঘরে বসেই তুমি ইন্টারনেট, স্পীড পোস্ট আর ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে কয়েন সংগ্রহ আর বিক্রি দুটোই করতে পার।
রোম সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট অগাস্টাস (৬৩ খ্রিস্টপূর্ব – ১৪ খ্রিস্টাব্দ) যে শখ শুরু করেছিলেন সময়ের সাথে সাথে সেটাতো লুপ্ত হয়ই নি, বরং দিন দিন এই শখ বেড়েই চলেছে। তুমিও তার শরিক হয়ে নতুন একটা জগৎ আবিষ্কারে মেতে ওঠো।
                                            সৌজন্যে – ক্ষীরের পুতুল। সম্পাদক – মুনমুন দাশগুপ্ত
Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!