• Uncategorized
  • 0

কবিতা – গৌতম রায়

বিদ্যাসাগর২০০/বিশেষ সংখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্রীয় 

শুনেছি তেরোতে সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে
অগ্নি সাক্ষী রেখে
মাকে নিয়ে এসেছিলেন বাবা
মা-র ষোল বছরে জন্ম আমার
ঈশ্বরচন্দ্র আজ আপনার উত্তরসুরী
সরস্বতী ,বীণা কালিন্দীরা
আঠারোর আগে বিয়ের পিঁঁড়িতে বসাতে চাইলে
গর্জে ওঠে প্রতিবাদ
পিছু হটতে হয় তথাকথিত কন্যা দায়গ্রস্ত বাবাকে
আজ তারা মহাবিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ‍্যালারিকে আলোকিত করে রাখে
ক‍্যানভাসে তাদের দুঃসাহসীকতার
পুরস্কার আঁকা হয়
আজ মৌসুমী চৌধুরীর ছৌয়ের নবতম চালে
লড়াইয়ের পথ দেখে নিশিথ সূর্যেরদেশ

সিঁথির জৌলুস হারানো মানবী
একদিন নতুন বন্দরে বাঁধে জলযান
জানে জীবন মানে যেকোনো দিন
যেকোনো বিরাম থেকে
নতুন করে শুরু করা যায়

এই সপরিবার বর্ণপরিচয় সহজপাঠ
আকাশের ফুটনোটে সাবলীল
বীরসিংহ ছাড়িয়ে সুভাষরোডের
রুলটানা পথের দুপাশে
খননের জৈব সমৃদ্ধ নতুন মাটিতে
আঁকে কাশ পৃথিবী
২.
এ কিশোর শারদে তোমার জন্মদিনে
কাশবর্ণমালার একটি সহজপাঠের
নবসংস্করণ উপহার দিতে চাই ঈশ্বরচন্দ্র
হাতে হাত সাজিয়ে যে বান্ধব নদী সাগরে মিশে
তার মানবিক অংশীদার হতে চাই দয়ারসাগর
সাগর নেয় না কিছুই
সব ফিরিয়ে দেয়
দাও ঢেউ  দাও বাষ্পমোচন
আমি আকাশ ছুঁয়ে ধূলিকণা মেখে
পৃথিবীর টানে মাতৃভাষা বর্ষণে
এ পৃথিবী সিক্ত করতে চাই
কাশ বর্ণমালার জন্য জয়চণ্ডী থেকে
নন্দুয়াড়া রামেরবাগিচার দিকে
লাগাই ছালাং
ঈশ্বরচন্দ্র
দু’শ বছর ধরে দর্শন মিনারে দাঁড়িয়ে
করমর্দন শেষে হুইসেল বাজিয়ে
উড়ান করো সুগম
মানবীরা উড়ন্ত লুংদারে রঙিন আখরে
লিখে রাখে ভাগীরথী তিস্তার          স্বজন পাড়ার টানা পোড়েনের      রঙিন উপন্যাস
Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!