• Uncategorized
  • 0

কবিতায় মিতুল দত্ত

১২ অগাস্ট, ১৯৭২। পেশা : লেখালিখি, গানবাজনা। প্রকাশিত কবিতার বই : জানলা জুড়ে মেঘ (প্রথম আলো, ২০০০), মরণ! (পদ্যচর্চা, ২০০১), বিদূষক ও সৌদামিনী (আনন্দ, ২০০৩), মায়াবী লিবিডো (সপ্তর্ষি প্রকাশন, ২০০৮), যে মেয়েটি গোপনে গিটার (শুদ্ধস্বর, ২০১০), এম টু এম (ওরা, ২০১৪), আমাদের কালো সাম্যগান (কলিকাতা লেটারপ্রেস, ২০১৫), বেড়াবিনুনি (ভাষালিপি, ২০১৬), উইকএন্ড ( গুরুচণ্ডা৯, ২০১৭)। প্রকাশিত কবিতা ও গল্পের সংকলন : রঙ্গিলাজন্ম (ছোঁয়া, ২০১৩)। প্রকাশিত গল্পের মিনিবুক : কচ্ছপের ডিম (কবিকথা, ২০০৬)। প্রাপ্ত সম্মান : ট্রাভেল গ্রান্ট, সাহিত্য একাডেমি (২০০৪), সংস্কৃতি অ্যাওয়ার্ড (২০০৬), যুব পুরস্কার, ভারতীয় ভাষা পরিষদ (২০১২), কৃত্তিবাস পুরস্কার (২০১৪), বাংলা সাহিত্যে মিনিস্ট্রি অব কালচার-এর জুনিয়র ফেলোশিপ (বিষয় : ১৫০ বছরের বাঙালি মহিলাদের আত্মজীবনী, ২০১২-১৩)

 

ক্রস স্টিচ  

এক
অন্ধ মেয়েদের আলো। স্বপ্নে পাওয়া জরির দোকান।
প্রতিজ্ঞার মতো শীত। মুঠোভিক্ষে সারাটা সকাল।
যন্ত্রণা মাড়িয়ে তুমি চলে যাবে বলে
বেসুরো গানের দিকে বেঁকে গেছে রাস্তাঘাট।
পাথরে পাথর রাখো। সাদাকালো দুঃখকে সাজাও।
ঘুমের বারান্দা থেকে গড়িয়ে পড়েছে
মৃত্যুর আরাধ্য কেউ। কী ভীষণ শাস্তি এই
উপনগরীর জলে হলুদ বালতির মতো
ভেসে আছে। কী শক্ত বাদাম তুমি দাঁতে নিয়ে
আমার ধৈর্যের মতো, গতকাল, চিবিয়ে খেয়েছ

দুই

চিবিয়েছি বোবা স্বপ্ন। দ্বন্দ্বসমাসের দিকে
মুখ ফিরিয়েছি। জুতোর দোকানে তুমি ঢুকে আর
বেরোবে না বলে, এ শহর অন্যমনস্কের মতো
চলে গেছে শিয়ালদার দিকে। ধুলোপায়ে ঢুকে পড়ছে
আদরযত্নের দিন। রক্তের বেহায়া রোগ
তোমাকেও কোলে নিয়ে চেনাবে স্নেহের সারাৎসার।
কমনরুমের চাঁদ আয়নার ওপারে তার ষোলোকলা নিয়ে
জেগে আছে। চেনা রাস্তা জ্বলে আর নেভে।
ছোঁয়াচে দুঃখের মতো কার গান? মন্ত্রপূত জলে
কার ছায়া দেখে তুমি চমকে ওঠো,
দরজা খোলো, দরজা বন্ধ করো?

Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!