T3 || সমবেত চিৎকার || বিশেষ সংখ্যায় উজ্জ্বল দাস

The Pen is not for sale
জাগ’রে মানুষ জাগ’রে মানুষ
তোর বাড়িতেও লাগবে আগ।
চুপ করে আর থাকিস ন’রে
সবই সবার সঙ্গে জাগ।
যেদিন জেনে যাবো কলমে আর প্রতিবাদ নেই সেদিন এই অক্ষরচাষ থেকে সরে যাব শতহস্ত দূরে। কাউকে টার্গেট করে লিখছি তা কিন্তু নয় তবে সমাজের চোখে আম আদমির চোখে যারা ঠুলি পরাতে চান তাদের গায়ে লাগবে।
কলকাতার একটা নৃশংসতা এভাবে ক্রমশ রাজনৈতিক টার্ন নিচ্ছে চোখের সামনে দেখে আগামী আঁচ করতে পারবেন কেউ কেউ। মনেমনে যেটা ভাবছি অদূর ভবিষ্যতে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি তার যেন বিন্ধুমাত্রও না ঘটে আমাদের রাজ্যে। যেনতেন প্রকারে যদি তা একবার ঘটিয়ে ফেলা যায় তাহলে বাদিবিবাদী পক্ষ কতটা সফল হবেন জানি না তবে আমার আপনার ঘোর বিপদ দরজার জাস্ট বাইরে। খিল খোলার অপেক্ষা মাত্র। সাইলেন্সার লাগানো নল আপনার কপাল তাক করে রাখা চব্বিশ ঘন্টা এ বলতে আমার দ্বিধা নেই। ভয় দেখাচ্ছি ভাবলে ডাহা ভুল করবেন। আমার ক্যালকুলেশন বিস্তারিত লিখে আপনার মেধাকে আমি দুর্বল প্রমান করতে চাই না।
একটা পদত্যাগ আবার নতুন পদ কিংবা ঘটে যাওয়া হাসপাতালের বর্বরতা নিধনে বিতর্কিত কাউকে সেই পদে অভিষিক্ত করা এ যেন রন্ধ্রে রন্ধ্রে কালো চশমার ব্ল্যাক শেড। যারা এ ঠুলি পরানোর চেষ্টা করছেন তাদের পিঠ প্রায় দেওয়ালে ঠেকে গেছে অন্তত গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের সততায় কিংবা চাটুকারিতায়।
ফোকাস সরিয়ে দেবার জন্য আবার একটা নতুন অঘটন ঘটিয়ে দেওয়া হবে না’তো পরিকল্পনা করে ! আমরা সম্পুর্ন ভুলে যাব না’তো দেবযানী, অর্পিতা কিংবা অমুকঘাটের কাকুর আর তমুক রাজার মন্ত্রীর মতো। কেউই স্মৃতি বয়ে বেড়ায় না। দুদিন যেতে না যেতেই ফিকে হয়ে যাবে। এখন সারা রাজ্য আর দেশ যেভাবে কলকাতার খালধারের হাসপাতালে চোখ রেখেছেন দুদিন পর চোখ রাখবেন আবার সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু রিলস্ এর ওপর কিংবা নতুন কোনো ট্রেন্ড তৈরি করে নিজেরাই রিলস্ বানাবেন।