|| কালির আঁচড় পাতা ভরে কালী মেয়ে এলো ঘরে || T3 বিশেষ সংখ্যায় উমা বসু

কালো মেয়ে
মেয়েটা ঠাকুমা র গায়ের কালো রঙ টা পেয়েছিল
সাথে পেয়েছিল ঠাকুমা র মেধা ও স্বাধীনচেতা মন।
বাবার নয়নমনি হলেও মায়ের স্নেহের ভাগ,
ফর্সা ছোট মেয়ের প্রতিই বেশি ছিল বরাবর ।
আড়ালে আবডালে অনেকেই তাকে ‘কালী’ নামে ডাকতো।
ঠাকুমা বলেছিল -‘কালি দিয়ে তুমি অক্ষরের মালা গেঁথে, পরিয়ে দিও মানুষের গলায় ।’
যে কালো রঙের জন্য চিন্ময়ী হয়েও উপেক্ষিতা সে,
সেই কালো রঙের মৃন্ময়ী প্রতিমা কে ঘিরে মানুষের –
ভক্তি -উচ্ছ্বাসের বহর দেখে বড় অবাক হতো সে।
মনে মনে ‘কালী ‘মা কে সাক্ষী রেখে —
একদিন কলমে কালি ডুবিয়ে দীপাবলির রোশনাই —
ছড়িয়ে দেবার শপথ নেওয়া মেয়েটা —
আজ কালি -কলমের হাতিয়ার নিয়ে স্বনামধন্য ।
ঠাকুমা -বাবা নক্ষত্রলোক থেকে আশীষ পাঠায় রোজ ।
মা, এখন খুব ভালো আছেন —
তাঁর কালো মেয়ের কাছে ।