ধারাবাহিক প্রবন্ধে তপশ্রী পাল (পর্ব – ২৯)

আলাপ


উস্তাদ আলাউদ্দীন খানের শিক্ষাপদ্ধতি এবং মাইহার ঘরানা সম্বন্ধে জানতে হলে আগে মানুষ আলাউদ্দীনকে জানা খুব প্রয়োজন। আলাউদ্দীনের পরিবার পূর্ব পাকিস্থানের গ্রামের চাষী পরিবার ছিলো। তারা বড়োলোক না হলেও তাদের যা জমি জিরাত ছিলো এবং পোষা পশুপ্রাণী ছিলো তাতে বেশ ভালোই চলে যেতো। গ্রামে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ ছিলো। ছোটবেলা থেকে এই পরিবেশে মানুষ হওয়ায় আলাউদ্দীন হিন্দু মুসলমানের মধ্যে কোনদিন বিশেষ ভেদাভেদ করতেন না। পরবর্তীকালে তার শিক্ষাদান ও ছাত্র গ্রহণের সময়েও এই মনোভাব বজায় ছিলো।
পরিবারে তার পিতা এবং বড়ো দাদা সবাই সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন, কিন্তু কেউই পেশাদার ছিলেন না। সঙ্গীতকে পেশা হিসাবে নেওয়া তখন সম্মানজনক ছিলো না। তাই তারা চেয়েছিলেন সঙ্গীত শিখলেও আলাউদ্দীন যেন পড়াশুনা করে। কিন্তু এই পারিবারিক জোর আলাউদ্দীনের সহ্য হয়নি। তিনি সঙ্গীতের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন এবং স্কুলের পড়া ফাঁকি দিয়ে গ্রামের মন্দিরে গিয়ে আরতি ও ভজন গানের সময় বসে থাকতেন। সেখানে একদিকে যেমন সঙ্গীত শুনতেন, তেমনই হিন্দুদের সমস্ত পূজাপদ্ধতি এবং পালাপার্বণ নিয়মাদি সম্বন্ধে তিনি ভালোভাবে জেনে গিয়েছিলেন। একদিন এক বস্ত্রে তিনি সঙ্গীতশিক্ষার জন্য অল্প পয়সা চুরি করে পালিয়ে গেলেন। আগেই বলেছি সঙ্গীত শিক্ষার জন্য তিনি কলকাতায় পাথুরিয়াঘাটার রাজসভার সভাগায়ক নুলো গোপালের কাছে পড়ে থেকেছেন, যাত্রাদলের সঙ্গে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্টার থিয়েটারে সামান্য পার্টের বিনিময়ে গ্রাসাচ্ছাদন করে একবেলা খেয়ে বাকী সময় গঙ্গাজল খেয়ে পড়ে থেকেছেন। শোনা যায় দিনে বারো চোদ্দ ঘন্টা রেওয়াজ করতেন আলাউদ্দীন এবং রেওয়াজের সময় যাতে ঢুলে না পড়েন তাই জন্য নিজের চুলের শিখা ছাদের ঝোলানো শিকেতে বেঁধে রাখতেন, যাতে ঢুলে পড়লেই শিখায় টান পড়ে। পরবর্তীকালে যখন রামপুরে যান, তখন রামপুরে বীণকার ঘরানার অর্থাৎ তানসেনের শিষ্য ওয়াজির খান, যিনি রামপুরের মহারাজের সভার সমস্ত সঙ্গীতজ্ঞের মধ্যে সবার ওপরে এবং রাজার সমান সম্মান পেতেন, তার কাছে শেখার জন্য তিনি প্রথমে রাজার কাছে পরীক্ষা দেন। রাজা তাকে যে যন্ত্র বাজাতে বলেন তাই বাজিয়ে তাকে অবাক করে দেন, যে গান বা তান রাজা করেন, তাই হুবহু স্বরলিপি আকারে লিখে দেখিয়ে দেন। মুগ্ধ হয়ে রাজা তাকে ওয়াজির খানের কাছে শেখার সব ব্যবস্থা করে দেন এবং তার হয়ে গান্ডা বাঁধার সময়ে উপঢৌকন ওয়াজির খানের হাতে তুলে দেন। তাও ওয়াজির খান প্রথমে রাজী না হওয়ায়, তিনি আফিম খেয়ে মৃত্যু অবধি বরণ করতে যান! এর মাঝে যখন আলাউদ্দীন নিজের বাড়িতে দেখা করতে যান, তার পরিবার দুটি সুন্দরী মহিলার সঙ্গে তার বিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি পরের দিনই তাদের ফেলে রেখে রামপুর চলে আসেন। ওয়াজির খানকে তিনি বলেছিলেন যে তিনি একা এবং তার পরিবারে কেউ নেই। পরে তার বাড়ি থেকে খবর আসে যে তার এক স্ত্রী আত্মহত্যা করতে গেছেন তিনি ছেড়ে যাওয়ায় এবং ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়। ওয়াজির খান বুঝতে পারেন যে তিনি এমন এক ছাত্রকে পাবেন যিনি সঙ্গীতের জন্য জীবনদান করতে পারেন। তখন তিনি আলাউদ্দীনকে তার সব বিদ্যা শেখাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন এবং নিজের ঘরের বাইরে একমাত্র তাকেই সবকিছু শেখান। সঙ্গীতশিক্ষার প্রতি সাঙ্ঘাতিক গুরুত্ব এবং সঙ্গীতের প্রতি উতসর্গীকৃত প্রাণ ও কঠিন রেওয়াজ, সঙ্গীতের জন্য ব্যক্তিগত সুখ সুবিধা ত্যাগ ইত্যাদি তিনি ছাত্রদের কাছ থেকেও আশা করতেন। তা না পেলে এমনকি মারধোর করতেও ছাড়তেন না।  
সেই সময় হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে গায়ন এবং গানের ঘরানাগুলিই সর্বশ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত হতো। বাবা আলাউদ্দীনই প্রথম যন্ত্রসঙ্গীতকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যান যে তা গায়নের সমান বলে প্রতিপন্ন হয়। ছাত্ররা যে যন্ত্রই বাজান, তিনি তাদের হাত এবং আঙ্গুলের ভঙ্গী ও চলাচল নিখুঁত করার দিকে নজর দিতেন।
 
যন্ত্র বাজালেও তিনি চাইতেন যে ছাত্ররা যেন পালটা, সরগম এবং বিভিন্ন বন্দিশগুলি সমানভাবে রেওয়াজ করে। এতে বিভিন্ন রাগের স্বরপ্রয়োগ, শ্রুতির প্রয়োগ, রাগের চলন ও বাঢ়হত ইত্যাদি নিখুঁত হবে। তিনি মনে করতেন হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীত গায়নের ওপর এবং তালের ওপর নির্ভরশীল। তার যে কোন রাগ যা একটি নির্দিষ্ট তালে গাওয়া যায়, তা যে কোন যন্ত্রে বাজানোও যায়। তাই গলায় গায়নের চর্চা থাকলে গুরুর পক্ষেও নানারকম কায়দা, তান, তোড়া গেয়ে ছাত্রদের বুঝিয়ে দেওয়া সহজ হয়।
বাবা আলাউদ্দীন ছাত্রদের বলতেন যে প্রত্যেককে তবলা এবং তালোধ্যায় ভালোভাবে শিখতে হবে। এই মূল জিনিসগুলি শেখা থাকলে ছাত্ররা যে কোন যন্ত্র নিজের পছন্দমতো এবং সেই যন্ত্রের আওয়াজ, টোনাল রেঞ্জ, বৈচিত্র অনুযায়ী পছন্দ করে নিতে পারবে এবং তাতে গুরুর শেখানো তান ও পালটাগুলি অভ্যাস করতে পারবে। তিনি খুব সহজ এবং শুদ্ধ রাগ যেমন ভোরের জন্য ভৈরব বা বিকেলের জন্য কল্যান দিয়ে শিক্ষা শুরু করতেন। প্রথমে তিনি “ফিক্সড মিউসিক” অর্থাৎ বন্দিশ ও গৎ শেখাতেন। সেগুলি হয় প্রাচীন বন্দিশ বা গৎ অথবা গুরুর নিজের তৈরী। ছাত্রদের সেগুলি মনে রাখতে হবে এবং নিজে অভ্যাস করে নিজস্ব যন্ত্রে তুলে নিতে হবে এবং দরকার হলে শতবার বা হাজারবার বাজিয়ে সেগুলিকে নিখুঁত করতে হবে যাতে পরিষ্কার আওয়াজ, সঠিক স্বরপ্রয়োগ হয় ও শুনতে সুশ্রাব্য হয়।  
কয়েক বছর শিক্ষার পর যখন একটি ছাত্র, যন্ত্র বাজানোর মূল কায়দাগুলি শিখে যাবে এবং সারং, টোড়ি, ভিমপলাশী, ভৈরব, ইমনকল্যান, বেহাগ ইত্যাদি মূল কয়েকটি রাগ শিখে যাবে, এবং একক বাদনের মূল জিনিসগুলির ওপর তার অধিকার চলে আসবে, তখন তাকে সৃষ্টিশীল হতে হবে, নতুন কিছু জিনিস নিজের বাজনায় নিয়ে আসতে হবে এবং ক্রমাগত উন্নতি করতে হবে। কিন্তু সৃষ্টিশীল হতে গিয়ে রাগের শুদ্ধতা নষ্ট করা যাবে না। অন্যান্য গুরুদের মতো তিনি কখনোই ভাবতেন না যে ছাত্রকে সবকিছু শেখাবেন না। যে ছাত্র যোগ্য তাকে শ্রেষ্ঠ জিনিসটি শেখাতে কখনো কার্পণ্য করতেন না। নিজেকে উজাড় করে দিতেন। ক্রমাগতঃ উঠে আসতো সঙ্গীতের অমৃত স্রোত। মুগ্ধ হয়ে তার বাজনা শুনতো ছাত্ররা। তিনি প্রধাণ যন্ত্র হিসাবে সরোদ বাজালেও যখন যে যন্ত্র প্রয়োজন তা বাজিয়ে ছাত্রদের শেখাতেন।
তার এই অসাধারণ বাজনা এবং সৃষ্টিশীলতা ছাড়াও তিনি তার মেজাজের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। এমনিতে তিনি ছিলেন শিশুর মতো সরল ও নরম মনের এবং অত্যন্ত বিনয়ী। কিন্তু সঙ্গীতের ভিতর প্রবেশ করে গেলে তিনি অত্যন্ত কঠোর গুরু হয়ে উঠতেন, কারণে সঙ্গীতের মধ্যে কোন অশুদ্ধতা, ভুল তিনি সহ্য করতে পারতেন না। যারা এই ধরণের ভুল করতেন তাদের প্রতি তার কোন সহানুভূতি বা ধৈর্য ছিলো না। তার নিজের জীবনে যেমন কঠোর নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলা ছিলো, তিনি ছাত্রদের মধ্যেও ঠিক তেমনই আশা করতেন। তিনি সঙ্গীতশিক্ষার সময় ছাত্রদের ব্রহ্মচর্য পালন করতে বলতেন। ছাত্ররা কোন ধরণের ধূমপান ও মদ্যপান করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠতেন। তিনি বলতেন শিক্ষালাভের সময় বস্তুজগতের যা একান্ত প্রয়োজনীয় তা ছাড়া সব ভুলে যেতে হবে। ভালো জামাকাপড়, ভালো খাওয়াদাওয়া, কাম, প্রেম ইত্যাদি সব ভুলতে হবে। এইরকম শৃঙ্খলা মেনে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রয়োজন। যারা তা পারবেন না, তাদের সঙ্গীতশিক্ষা না করাই উচিত।
সবচেয়ে আশ্চর্য হলো, বাবা আলাউদ্দীনের এই শিক্ষাপদ্ধতি এবং মাইহার ঘরানার এই বৈশিষ্টগুলি মেনে নিয়েই তার কাছে ছুটে আসতেন ভারতের সবচেয়ে প্রতিভাবান সঙ্গীতপাগল ছাত্রেরা কারণ যে সঙ্গীত ও শিক্ষা তারা মাইহারে পাবেন বা পেতেন তেমন আর কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়।
যদিও বহুলপ্রচারিত এবং সর্বজনবিদিত পন্ডিত রবিশংকরজী ও বাবা আলাউদ্দীনের সম্পর্ক এবং ছাত্র হিসাবে রবিশঙ্করজীর গড়ে ওঠা, তবুও আলাউদ্দীন খাঁর ছাত্রদের কথা বলতে গিয়ে তার কথা ছুঁয়ে না গেলেই নয়।
১৯৩৪ সালে কলকাতায় বাবা আলাউদ্দীনের সঙ্গে বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী উদয়শংকরজীর পরিচয় হয় এবং বাবা আলাউদ্দীন উদয়শংকরজীর ট্রুপের সঙ্গীত পরিচালক হিসাবে ইউরোপ যেতে রাজী হয়ে যান। সেই ট্রুপে তখন ছোট্ট রবিশংকর, যার ডাক নাম ছিলো রবু, তিনি নাচ করতেন। সেই সময় বাবা আলাউদ্দীনের সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং স্বল্প সময়েই রবিশংকরের প্রতিভা চিনে নেন আলাউদ্দীন। তিনি উদয়শংকরজীকে বলেন, যে একজন নৃত্যশিল্পীর নৃত্যজীবন সীমিত। তাই রবিশংকরকে তিনি অন্তত একটি বাজনা শেখাতে চান। তিনি তাকে দেশে ফিরে মাইহারে যেতে বলেন।
রবিশংকর ছিলেন উদয়শংকরদের ব্রাহ্মণ পরিবারের সবচেয়ে ছোট আদরের ছেলে। ছোটবেলা থেকে বিলাস ব্যসন ও সাহেবী কেতায় অভ্যস্ত! কিন্তু দেশে ফিরে আসার পর রবির মনে হতে শুরু করে তিনি যা করছেন তার কোন অর্থ নেই। সঙ্গীতের কিছুই শেখা হয়নি। তখন তার বয়স মাত্র চোদ্দ বছর। তিনি মাইহারে যাবেন স্থির করে ফেলেন। সব বিলাস ব্যাসন পিছনে ফেলে রেখে মধ্যপ্রদেশের ছোট্ট শহর মাইহারে পৌঁছন তিনি। সেখানে গুরু উস্তাদ আলাউদ্দীনের ছোট্ট বাড়িটি যেটি আজও একইভাবে দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে পৌঁছন। বারান্দায় একটি তখতে বসে পুত্র আলি আকবর ও কন্যা অন্নপূর্ণাকে সঙ্গীত শিক্ষা দিচ্ছিলেন বাবা। হঠাত রবুকে সেখানে দেখে চমৎকৃত হন। তিনি ভাবতে পারেননি রবু সত্যিই সব ছেড়ে মাইহারে আসবে। আশ্চর্যজনক ভাবে সব জাগতিক সুখ বিসর্জন দিয়ে আলাউদ্দীন খানের গান্ডাবদ্ধ শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন রবিশংকর। গুরুর বাড়ির পাশেই একটি ঘর নেন তিনি। বাবা আলাউদ্দীন কঠোর শৃঙ্খলা ও পর্দাপ্রথা মানতেন। বাড়িতে তার স্ত্রী এবং মেয়ে অন্নপূর্ণাজী ছিলেন বলে তিনি নিজের বাড়িতে ছাত্রদের রাখতেন না। অত্যন্ত অনাড়ম্বর ভাবে মাটিতে আসন পেতে বসে সঙ্গীতশিক্ষা করতে হতো। মাইহার তখন একটি প্রত্যন্ত গ্রাম। সেখানে প্রচন্ড মশার উপদ্রব। বারান্দায় বসে শেখার সময় অজস্র মশার কামড় খাওয়া থেকে গ্রীষ্মকালে অসহ্য গরম সহ্য করা, সবই করতে হয়েছে রবিকে। পশ্চিমী কায়দায় মানুষ রবিশংকরের অনেক সময় লেগেছে এতে অভ্যস্ত হতে। দিনের বেশীরভাগ সময় তিনি গুরুর বাড়িতেই থাকতেন, কিন্তু শিক্ষা শেষে নিজের ঘরে ফিরে এসে প্রদীপের আলোয় টানা আটঘন্টা প্রতিদিন রেওয়াজ করে উঠতেন। কিছুদিনের মধ্যেই রবিশংকর বাবা আলাউদ্দীনের শ্রেষ্ঠ ছাত্রে পরিণত হলেন এবং বাবার অত্যন্ত প্রিয়পাত্র ও কাছের মানুষ হয়ে উঠলেন। তার সেতার শিক্ষার পাশাপাশি তখন সরোদ শিক্ষা নিচ্ছেন আলাউদ্দীনের পুত্র আলি আকবর ও সেতার শিখছেন কন্যা অন্নপূর্ণা। আলি আকবর হয়ে উঠলেন রবুর অত্যন্ত প্রিয় বন্ধু। এতোটাই বন্ধু যে বাবার সামনে কোন নেশা করা চলবে না বলে দুজনে পিছনের বাগানে লুকিয়ে বিড়ি খেতেন। ক্রমে এই বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক পারিবারিক সম্পর্কে পরিণত হয়। একদিকে যেমন রবিশংকরের সেতার ও আলি আকবরের সরোদের খ্যাতি ছোট্ট মাইহারের গন্ডী ছাড়িয়ে বাইরে ছড়িয়ে পড়ে, তেমনই অন্নপূর্ণার সঙ্গেও আড়ালে আবডালে দেখা হতে থাকে রবিশংকরের এবং স্মার্ট রবিশংকরের রূপ গুণ কথাবার্তায় মোহিত হয়ে পড়েন সরল গ্রাম্য বালিকা, কিন্তু অত্যন্ত প্রতিভাময়ী অন্নপূর্ণা। অতঃপর নিজের স্ত্রীর কথায় আলাউদ্দীন রবিশংকরের হাতে তার কন্যা অন্নপূর্ণাকে তুলে দিতে চান। গুরুর এই আদেশ অমান্য করা অসম্ভব ছিলো রবিশংকরের পক্ষে। অত্যন্ত অনাড়ম্বর ভাবে হিন্দু ব্রাহ্মণ রবিশংকরের সঙ্গে অন্নপূর্ণা দেবীর বিবাহ হয়। তার পরের গল্পও সবার জানা। তবে তাকে ছুঁয়ে যাবো পরের পর্বে। সঙ্গে থাকবে উস্তাদ আলি আকবর ও নিখিল ব্যানার্জী সম্বন্ধে দু এক কথাও। 

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।