আগুন। দপ করে জ্বলে ওঠা থেকে
দাবানল অবধি।তারপর
মিইয়ে যাওয়া রঙ।
আমাদের সম্পর্কের শিরা ধমনীতে
রাগ অভিমান ভালোবাসা
সবকিছু গতানুগতিক।
আসলে ষড়জ থেকে নিষাদের
তরঙ্গ লহরীতে কোমল খাদের
ওঠানামা শেষে, সুরের বন্যায়
চরাচর প্লাবিত হয়ে গেলে
একটা নতুন সকাল।
মিঠেকড়া অনুভূতি নিয়ে
খুঁজতে খুঁজতে
রিফু করা সুতোর টানে
আবেগের প্রাসাদ বানায়।
আগুন
সঙ্গে আনেনি কিছু-
টাকাকড়ি জামা কাপড় কিছুই না
শুধু নির্বাক ভাষা নিয়ে এসেছে
এসেছে উদাস হয়ে নিরুপায় হয়ে
যেন চলার দায় কত!
কেউ বলেছে – এগিয়ে চলো।
জানেনি সে।
বোঝেনি রঙিন পৃথিবীর উষ্ণতা
আসলে দীর্ঘদিন সাদা কালোর বৃত্তে
তার চোখ ধাঁধিয়েছে।
রঙের মাধুর্য কী?
আপাত নিরীহ একটা প্রশ্ন
ততোধিক অধিকারের অবজ্ঞায়
এড়িয়ে যাওয়া যেত।
কিন্তু.. সত্যই রঞ্জক না রঙ কে দায়ী?
দায় নেবে কে?
আপামর মানবসভ্যতা না রঙিন নেতা?
ওর শুধু একটা প্রশ্ন –
রঙের মাধুর্য
আর আমার চেতনায় অনুরণিত দায়।
অপরাধী মন নিয়ে তবু
কাঙালের মত জিজ্ঞাসা করি
সত্যই কি কিছু আনোনি??
এনেছি বাবু –
চলার দায়। আর একপেট খিদে।