কবিতায় তাপস কুমার দে

খড়িমাটিহাত
রোদেলায় যুক্তিহীন মেঘ উড়ালগামী প্রজাপতি মন
পুরোনো বিষণ্নতা এঁকে দেয় খড়িমাটিহাত নুনজ্বলা রোদ
ঘরেফেরা গল্পটা বেলা নামানো ছায়া
অস্ফুট ছোটে বুকের ফোকরে চৈত্রের দ্রোহে
চরম জাগতিক যাতনার আড়ালে পূর্ণতার হাত
হয়তো অন্তরীণ আত্মা ঐশী বাণীর মতো
শুকনো বুকের বসন্তে জানালাটা নিয়ে এলো
জল কেটে দেখি রূপালী ভোরের ভাস্কর্য্য
কোথায় পাখির গান ঝরাপাতা
ঝাঁপসা কুয়াশা বহুদূর চলে এসেছে
বেকার ডাকছে নাছোড়বান্দা আয়ু
কবিতা কল্পনা মাথাকুটে মরে পাখিরাও পোড়ে
হোক না গাঢ় মুহুর্মুহু বিজলি মাথায় উঠলো
নীল শিশিরের দীঘল স্বপ্ন জমে আছে পাতায়
সন্ধ্যা নদীর পলি কত অশ্রু কত হাসি
মাটিতে মিশেছে মাছরাঙা সারি সারি মুখ
শান্তির জন্য প্রশ্নাতীত এক উত্তর মেতেছে নৈরাজ্যে
লকলকে জিবে প্রকাশ্য দাহ করে সমুদ্র।