সুতোয় বাঁধা পুতুলগুলো নাচতো যাদের হাতে
এখন তাদের উপোস করে দিন কাটে একসাথে।
পুরুলিয়ার নানান গ্রামে আজ কারো নেই কাজ,
পুতুল নাচের পুতুলগুলোর দুঃখ ভীষণ আজ।
মঞ্চে এখন রাম রাবনের যুদ্ধ হয়না জোর
দুঃখ নিয়ে কাটায় সময় রাত তখনই ভোর।
সুতোয় বাঁধা পুতুলগুলো মঞ্চে ভীষণ নাচে,
সেসব এখন যত্নে রাখা বসার ঘরের কাঁচে।
সেইসব স্মৃতি
কাঠের টেবিল নড়বড়ে পা কলা পাতায় খাওয়া
সেসব ছিল সেই যুগেতে এখন যায় না পাওয়া।
বিয়ের ভোজে এই ছিলো যে নেমন্তন্ন মানেই
এই টেবিলেই সবার সাথেই বসতাম সাবধানেই।
উলটে যেত হঠাৎ টেবিল চেয়ার যেতো যে বসে
তরকারী ঝোল দিত ঢেলে রং পোষাকেই অবশেষে।
কলাপাতা নিয়ে মাটির গ্লাসেতে ইঁদারার সেই জল
কে দেবে নুন,কে দেবে জল এই নিয়ে কোলাহল।
ছোট্টবেলায় বিয়ের পাতে নুন দিয়েছি যে কত
এলুমিনি জগে জলকে দিয়েছি নিজের ইচ্ছেমতো।
বরকে দেখেছি ট্রাঙ্ক কাধে করে বৌ নিয়ে আলপথে,
পিছনে পালকি বাজতো বাজনা হেঁটে যাই কোনমতে।
এখন সেসব কোনদিন দেখি ভুল করে কোন গ্রামে
ফিরে যাই সেই আগের সময়ে দৃষ্টি যেখানে থামে।
আজো চেয়ে থাকে গাছের নিচেতে পালকিটা রাখা আছে,
ভুল করে যদি কেউ নিতে আসে সখ করে তার কাছে।
সেইসব দিন মমির আদলে স্মৃতির কাঁদনে কাঁদে
চোখে আসে জল সেইসব স্মৃতি লজ্জাতে চোখ বাধে।
ছড়ায় ছবি আঁকি
বললি যখন পাখি
ঘরের থেকে নীল পালকে
স্বপ্ন ধরে রাখি।
আকাশ কালো মেঘে
আমি তখন শব্দ ভাঙ্গি
ছন্দরা যায় রেগে।