প্রেম ধরতে গিয়ে
হেই
খোলা আকাশে নীচে দাঁড়াও দেখব। সবুজ মাঠে বসো আঁচলে মাথা রাখব। সাগর কিনারে নরম বালিতে হেঁটো না পা ভিজে যাবে। পাহাড়ি পথ ধরে এসো মন ভরতে থাকবে।
ফেরিওয়ালা
আনন্দ নেবে গো আনন্দ……? ফেরি করি আমি। বেঁচে আছি বোধ জীবন আছে বলে। হাতে পুটলি কাঁধে ঝোলা ব্যাগ। পকেটে খুচরো পয়সা। ভাবছ কীসব। এসব ভা-বাসার রঙ তামাসা।
তখন সকাল
বর্ষার ঘনঘটা কালো মেঘ কালো তুমি। সাদা পাতার কালো ভাবনা আমি। গাছ ভিজে বৃষ্টি জলে আমি স্যাঁতসেঁতে ভালোবাসা খেয়ালে। স্নিগ্ধ চোখ সাদা হাসি ইট রঙা ভাবনা তোমার। করি দর্পণ দর্শন। আড় ঠোঁটে গোপন হাসি আমি সুন্দর।
দেখা
ছায়া মায়া কায়াকে সরিয়ে তোমাকে খুঁজে যাই। শক্ত মেরু লম্বা তুমি ধরতে আমাই পারবে না। লুকোচুরির শেষ বেলাতে থাকবে তুমি কোন খানেতে জানি তা যে অনেক আগে। একটুখানি দেখা হলে ভাবনাগুলো উঁকি মারে শক্ত হাতে ধরবো তোমায় নাচবে তুমি আমার তালে।
আবদার
সবার স্বার্থে তৈরি নিয়ম ভা-বাসা আমার স্বার্থে বেঁকেচুরে নাও।
আজ এই দিনটাকে
মনের সাদা পাতায় পাতায় লিখেছি জন্মদিন। জন্ম হলে মৃত্যু অনিবার্য এরূপ অপ্রিয় সত্য নিয়ে ঠাট্টা করতে ভয় বরং সাহস করে বলি তুমি অবিনশ্বর গতিশীল। ছবি সূত্র হয়ে যুগ যুগ ধরে হৃদয়ের রুপালি ক্যানভাসে মাকড়সা জাল।
মাতন
এই নাও উপহার বনফুল আইসক্রিম কেক ও ছোঁয়া। নেশায় বুঁদ হয়ে যাও। নরম বিছানা সাথে মশারি খাটিয়ে দেব। গায়ে হাত বুলিয়ে দেখব।
একটু দাঁড়াও
আদিম আমি। হাতে কাঁচা শালপাতা-খালা। খালাতে পাহাড়ি ছাগল দুধ সাথে সাদা ভা-বাসা। নিয়ে যাও। খুশি হয়। আবার যাতা। সেই ভুলে ভরা খাঁটি লোকটার বলচালি। একান্ত মৌলিক সাফ করা যাবে না। যদিও কাল মঙ্গলবার পাড়ার জঙ্গল সাফ করার দিন…..