কবিতা সিরিজে তুলসী কর্মকার

ঋজু
জীবন রেখাটা সোজা নয় বরং থ্রি ডি গ্রাফিক্স
প্রতিটি মুহূর্তে একটি করে বাঁক থাকে
প্রতিটি বাঁকে সবচেয়ে কম দশটি দিক
বাঁকের কর্মাধ্যক্ষ দুজন, যাঁদের দুটি করে হাত
একটি বাহ্যিক অপরটি অভ্যন্তরীণ
পরিবেশ ও জীবন ধারণকারীর যৌথ প্রয়াসে
চার হাতে আঁকা ছোট ছোট স্পেলে সরল রেখাগুলির সমষ্টিগত সমীকরণ জীবন হয়ে উঠে
যে সমীকরণে যত বেশি বাঁক সে জীবনে তত বেশি ক্ষুদ্র ঋজু রেখা দ্বারা গঠিত বা ঘটনা বহুল
প্লট
তিনটি উপায়ে জায়গা নিজের হয়
১ জনমানব শূন্য খাসে ঘাঁটি গেড়ে
২ পৈতৃক সম্পত্তির মালিকানা বদল করে
৩ টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রি করে দখল নিলে
মানুষের মনেও অনেক জায়গা আছে
অলিখিত যা কেড়ে নিতে পারো
১ টাকা দিয়ে
২ ছল চাতুরিতে
৩ ভালোবাসা দিয়ে
ধাতু সংকর
সমাজ আর মৌলিক থাকছে না
ক্রমশ মিশ্র হয়ে যাচ্ছে
প্রাগ ইতিহাস থেকে তুমি আছ আমি আছি
ক্রোমোজোমের হাত ধরে…..
একটু একটু করে আপগ্রেড হয়েছে দাদু বাবা আমি
তামা দস্তার সংমিশ্রণে অনেক রকম পিতল হয়
ধাতু আর ঋতু দ্বারা নিশ্চয় আরো
শান্তিনিকেতন অথবা দূরবীন তৈরি করা যাবে
যেখানে মানুষ ঘুরবে সমাজের চারপাশে…..
জিনে থাকবে কলঙ্কহীন ইস্পাতের সত্ত্ব
অনুপাত
সকাল দুপুর রাত হয়
আলো এবং উষ্ণতার তারতম্য ঘটে
স্টেশন থেকে টোটো নিমপুরা যায়
প্যাসেঞ্জার নামে উঠে
মন শরীরে পরিলক্ষিত হয়
সুখ স্পন্দন আপ ডাউন করে
এসব মেলোডি মাত্রা দ্বারা পরিচালিত
আম্বানিকেউ ছাড়ে না……