তনিমা হাজরার কবিতা

#কবিতার শরীরমন_১
কবিতা যখন যাপন হয়ে ওঠে তখন আমরা কবিতার মধ্যে আর কবিতা আমাদের মধ্যে মিশে একাবার হয়ে যায়। শব্দ নিয়ে, ছন্দ নিয়ে, ভাব নিয়ে আমরা তখন খেলি, প্রতিবাদ জানাই, আমোদ করি, ভালবাসি।।
কবিতার বিভিন্ন প্রচলিত ফর্মকে দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে নিজের মতো করে বানিয়ে আমি আমার একটি পরীক্ষামূলক কোলাজ বানিয়েছি। এতে কবিতার পুরনো আঙ্গিক ও আকৃতির সাথে সাথে তাকে কিছুটা পালটে নিজের মতো করে গড়ব আমি। আশা করব আপনারা শুধু প্রশংসা করবেন না, মন দিয়ে পড়ে তার যুক্তিপূর্ণ আলোচনা ও সমালোচনাও করবেন।
উৎসর্গ- যার সাথে দেখা হবার পর ভালবাসার প্রকৃত অর্থ বুঝতে পেরেছি।
কাব্যস্বত্ত্ব – তনিমাহাজরা
2/3/3 — ABCDEC
১.
মিশে ছিলে
কল্পনা জুড়ে আমার
সামনে এলে যখন-
সত্যি হয়ে
স্পর্শ দিলে দেহে
ফুল ফুটলো তখন।
২.
আজ সারাদিন
বড় মাতাল মাতাল
ভীষণ নেশার ঘোর।
চাঁদ হয়েছি
আলো মেখে গায়
স্পর্শ সুখে তোর।
2/3/3—ABBCDD
৩.
কোথায় যাবে
উদাস চোখের নারী
আমিও যেতে পারি।
শান্ত ডানায়
মেঘ ঘুমিয়ে আছে
বুকের গাছে গাছে।
৪.
তোর কাছে
একটু ছায়া পেতে
ইচ্ছেরা থাকে মেতে
অনেক রোদ্দুরে
ভিজেছি আমি তাই
একটু ঘুমোতে চাই।
৫.
কি আবেশে
রোদ ঝড় মেখে
ছাপ দিলি রেখে
আমি ভোর
তুলি দিয়ে আঁকি
তোকে ছুঁয়ে থাকি।
(এগুলি জাপানি সেদোকা ছন্দের আধারকে ভেঙে কিছুটা পরিবর্তিত ফর্মে বানানো।)