মার্গে অনন্য সম্মান শ্রী স্বদেশ সাধক সরকার (সর্বোত্তম)

অনন্য সৃষ্টি সাহিত্য পরিবার
সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতা নং – ১১০
বিষয় – শিশু দিবস
নতুন কুঁড়ি
জীবনে কুঁড়ি এক অনন্য পটভূমি যার
পরিক্রমণ বিশ্বব্যাপী , তার নতুনত্বের নব নব
স্বাদে সে বিচ্ছুরিত হয় জীবনের জয়গানে~
আগামী ভবিষ্যতের সোনালি স্বপনের নিঁখুত
পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশ ও দশের মঙ্গল
কামনায় ।
গাছের কুঁড়ি যেমন জীবনে নতুন উন্মাদনা
আনে আর এই উন্মাদনের পিছনে থাকে
পরিচর্যা ও অনুশীলনী কৃৎকৌশল যার
ফলশ্রুতি পথ চলার নয়া রুটিন। আর এ
রুটিন জীবনের জীবসত্ত্বার অমোঘ বাণী
যাকে কেন্দ্র করে রূপ,রস ও বৈচিত্রের ডালি
নিয়ে বসে সব পরিবার ।
আর এই পরিবার হল শিশুর আঁতুর ঘর ।
সেই শিশুদের নিয়ে প্রথম চিন্তার রেশ
নিয়ে আসে তুরস্ক ১৯২০ সালে । বিশ্ব
শিশু দিবস পালিত হয় ২০ নভেম্বর আর
আর্ন্তজাতিক শিশু দিবস পালন করা হয়
০১ লা জুন ।
আমাদের দেশে ১৪ ই নভেম্বর শিশু দিবস
পালন করা হয়। জওহারলাল নেহেরে ছিলেন
পন্ডিত,বিদগ্ধ এবং আমাদের দেশের প্রথম
প্রধান মন্ত্রী । তাঁর জন্ম দিবস পালনের কথা
বল্লে তিনি বলেন,নিজের জন্মদিন পালন কেন
বরঞ্চ ঐ দিন হোক সকল শিশুদের জন্মদিন
পালন। তিনি ভালবাসতেন গোলাপ ফুল।
ছোট ছোট শিশুদের তিনি খুব ভালবাসতেন।
ঐ দিন সব শিশুদের আদর করে গোলাপ
ফুল দিতেন। সব শিশুরা হোক ফুলের মত,
শিশুরা নিষ্পাপ ,নির্লোভ,সরলমতি ও
ছটফটে।
কিন্তু ,এ কথা সত্য~দেশের শিশুরা সকলে
সমানভাবে আদর,যত্ন পায় না। পায় না
সুষম খাবার। পায় না সুস্হ চিকিৎসার
সুযোগ সুবিধা। লেখাপড়ার বৈষম্য তাদের
পৃথক সত্ত্বার জন্ম দেয় ।
শিশুমনের সুকুমারমতি মনের সামগ্রিক
উন্নয়নে শুধুমাত্র সুসংহত শিশু বিকাশ কেন্দ্র
করে শিশুদের সমমানে প্রতিষ্ঠিত করার
সুযোগ হয় না।
সকল শিশুর একই ছাদের তলায় এনে
একই রকম সিলেবাসের মাধ্যমে মাতৃভাষার
মাধ্যমে শিক্ষা দেয়া দরকার। একই জায়গায়
কেজি আর পাঠশালা বিভেদের বীজ বুনে
বলে মনে হয় ।
বর্তমানে শিশুরা কেউ সারাদিন লেখাপড়া,
গান,ছবি আঁকা ইত্যাদি নানানা প্রশিক্ষণ
নেয় আবার কেউ কিছুই পায় না।
শিশুরা ভবিষ্যৎ ,শিশুরা নতুন দিনের আলো,
শিশুরাই আগামীর পপদ্রষ্টা~কাজেই যতই
অবিলম্বে সব শিশুরা যাতে খাবার,বাসস্থান
শিক্ষার সমানধিকারের সুযোগ পায় তার
উদ্যোগ বেশ জরুরী । একই সাথে শিশুশ্রম
বে-আইনী হলেও তা দারুণভাবে বলবৎ ।
এর বিহিত দরকার।
শিশু দিবস ~আনুষ্ঠানিক এক দিন
প্রতিপালনের মধ্য দিয়ে শিশুদের যতই
সম্মান প্রদর্শনের ব্যবস্হা হোক না কেন তা
আপামর সকল শিশুদের মঙ্গল করতে পারে
বলে মনে হয় না ।
তাই,শিশুদিবস হোক সত্যিই তাদের
জীবনে আলো বিচ্ছুরণের পীঠভূমি যেখানে
সব শিশুরাই নতুন পথের দিশারী হয়ে
দেশ ও দশের কল্যাণ কামনায় নব নব
সৃষ্টির উদ্ভাবনী শক্তি নিয়ে দেশকে বলিষ্ঠ
ও শক্ত ভিতে দাঁড় করাতে সহায়ক হবে ও
কাজ করতে সক্ষম হবে কারণ
কথায় আছে~ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা
সব শিশুদের অন্তরে,কাজেই শিশুদের
সোনালি সকাল ভরা দুপুরের রোদ্রোজ্জ্বল
আলোকছটা বিভুষিত করে তুলবে
জীবনের জয়গানের গৌরবগাথা~যার
অপেক্ষায় সমস্ত দেশবাসী।