T3 শারদ সংখ্যা ২০২২ || তব অচিন্ত্য রূপ || বিশেষ সংখ্যায় সমীরণ সরকার

সহপাঠী

ছোট থেকে বীরভূম জেলার একটা ছোট্ট গ্রামে বড় হয়েছি আমি । ওই গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা করেছি। বন্ধু বলতে চিনেছি আমার সহপাঠীদের। স্কুলের পরে তাদের সঙ্গেই দীঘির মাঠে খেলাধুলো, তাদের সঙ্গেই গ্রীষ্মের ছুটিতে চৌধুরীদের আম বাগানে আম পাড়া, তাদের সঙ্গেই ভূতনাথপুরে গাজনের মেলা দেখতে যাওয়া ,আবার একটু বড় হলে শীতের দুপুরে তাদের সঙ্গেই পিকনিক করা, হেতমপুরে স্বরস্বতী পূজার মেলায় যাত্রা দেখতে যাওয়া ইত্যাদি।
সহপাঠীদের মধ্যে কারুর সঙ্গে কখনো যে মনোমালিন্য হতনা এমন নয় ,তবে ভাব হয়ে যেত কখনো দুই এক ঘন্টায় আবার কখনো দু’ একদিন পরে।
এইভাবেই দেখতে দেখতে ক্লাস টেনে উঠে গেলাম ।
ক্লাস টেনে উঠে সহপাঠী হিসেবে পেলাম ভুটুদাকে।
বড় হওয়ার পর থেকে শুনতাম যে,আমাদের পলাশপুর গ্রামে কেন, আশেপাশের দশ-বারোটা গ্রামেও ভুটুদার মত পরোপকারী ছেলে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
অর্থের অভাবে কারুর মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না বা লোকের অভাবে অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধা চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে যেতে পারছে না বা কেউ মারা গেছে, শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার লোক নেই— সর্বত্রই এগিয়ে যেত ভুটুদা।
শুধু আর্থিক সাহায্য নয় ,সমস্যার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত দায়িত্ব ঘাড়ে তুলে নিত ভুটুদা।

ওহো, তোমরা সবাই তো আবার ভুটুদাকে চেনোনা। তাহলে ভুটুদার সঙ্গে আগে পরিচয় করিয়ে দেই তোমাদের।

আমাদের গ্রামের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি কেনারাম ঘোষালের একমাত্র নাতি ভুটুদা। আমাদের গ্রামে একটা কথা চালু আছে, ‘ কেনা ঘোষাল জমি কেনে, কিন্তু বেচে না’। ফলে কেনারাম ঘোষালের জমির পরিমাণ যে ঠিক কতটা তা কেনারাম ঘোষাল নাকি নিজেও জানেনা। এইটা আমাদের গ্রামের দুষ্টু লোকেদের মন্তব্য।
শুধু চাষের জমি নয় , অনেক পুকুর, বাগান ইত্যাদির মালিক কেনারাম দাদু।
জমিজমা ছাড়াও শহরে কেনারাম দাদুর মস্ত হার্ডওয়ারের ব্যবসা আছে, কাপড়ের দোকান আছে। কিন্তু এত ধনী হওয়া সত্ত্বেও আমাদের গ্রামে কেনারাম দাদুর কৃপণ বলে বদনাম আছে। কারণ গ্রামে পুজো কিংবা অন্য কোন অনুষ্ঠানে কেনারাম দাদুর কাছে দশ টাকার বেশি চাঁদা আদায় করতে হলে বার পাঁচেক ঘুরতে হয়। তবে পাঁচবার ঘোরার পরেও কুড়ি টাকার বেশি চাঁদা তিনি কখনো দেন না।
এহেন দাদুর নাতি হয়েও
ভুটুদা খুব দিলদরিয়া , মুক্তহস্ত বলা যায়।আর অর্থের যোগানদার কেনারাম ঘোষালের স্ত্রী কমলা দেবী ,মানে ভুটুদার দিদিমা।ভুটুদা যখন খুব ছোট তখন এক পথ দুর্ঘটনায় ওর মা-বাবা দুজনেই মারা যায়। একমাত্র নাতি ভুটুকে কোলে পিঠে করে বড় করেছেন কমলাদেবী।তাই নাতি ভুটুর প্রতি তাঁর স্নেহের প্রাবল্য লাগামছাড়া। দিদিমার প্রশ্রয়েই ভুটুদা ছোট থেকে লেখাপড়ার চেয়ে গান-বাজনা, যাত্রা থিয়েটার ,ফুটবল খেলা ইত্যাদিতে বেশি জোর দিয়েছিল ।ফলে স্কুল জীবনে এক এক ক্লাসে দুই বা তিন বছর কাটিয়ে শেষে বহু কষ্টে কোনরকমে ক্লাস টেনে উঠেছে ভুটুদা।

ক্লাস টেনে উঠে এহেন ভুটুদাকে সহপাঠী হিসেবে পেয়ে আমাদের সঙ্গে খুব সহজেই ভাব হল তার।
আমরা মানে, আমি, শ্যামল, বরুণ ,নিতাই ও কাজল। সেই ছোটবেলা থেকে আমরা একসঙ্গে পড়াশোনা করি। আমরা চারজন খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
ভুটুদার সঙ্গে অনেক আগে থেকেই আমাদের সম্পর্ক ভালো থাকলেও এক ক্লাসের ছাত্র হওয়ার পর থেকে ঘনিষ্ঠতা আরো বেশি বাড়লো।
আর ওই ক্লাসে পড়তে পড়তেই পরোপকারী ভুটুদাকে নতুন করে চিনেছিলাম। নিজের হাজার ক্ষতি হলেও তার কারণে অন্যের যাতে কোনরকম সমস্যা না হয় ,সে ব্যাপারে ভুটুদা খুব সজাগ ছিল। ক্লাস টেনে পড়াকালীন এমন একটি একটি ঘটনার সাক্ষী হয়েছিলাম। আর ওই ঘটনা ঘটার কয়েকদিন পরেই আরো এমন একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছিল, যা ভুটুদার জীবনে বিশাল পরিবর্তন এনেছিল।

স্কুলে যে দুটি বিষয় নিয়ে ভুটুদা সবচেয়ে বেশি ভয় পেত, তা হল ইংরেজি আর অংক। ওই দু’টি বিষয়ে কোন পরীক্ষাতেই ভুটুদা দুই অঙ্কের সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি অতিক্রম করতে পারত না। কিন্তু ওই আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটার পর ভুটুদা অংকে পাশ করার মন্ত্র খুঁজে পেয়েছিল।

এবারে ঘটনাটা বলি। আমাদের অঙ্কের শিক্ষক ছিলেন নরেন বাবু ,নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। খুব কড়া আর রাশভারী প্রকৃতির মানুষ ছিলেন নরেন বাবু। লম্বায় প্রায় ছ ফুটের কাছাকাছি, নাকের নিচে পুরু মোটা কালো গোঁফ, চোখে মোটা লেন্সের হাই পাওয়ারের চশমা। অংকের ক্লাসে কেউ টুঁ শব্দ করলেও ভীষণ রেগে যেতেন তিনি। নরেন বাবুর ছেলে বিকাশ ছিল আমাদের সহপাঠী। ক্লাসের ফার্স্ট বয়। অংকে ছিল বাঘ। কোনো পরীক্ষাতেই অংকে তার নম্বর কাটার সাধ্য ছিলনা কারো। আমাদের ক্লাসে গুটি তিনেক দুষ্টু ছেলে ছিল। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুষ্টু ছিল চন্দন। কোন ক্লাস মন নিয়ে সে শুধু নিজে শুনতো না এমন নয়, অন্যদেরও বিরক্ত করতো।
সেদিন নরেন বাবুর অঙ্কের ক্লাস চলছিল‌। একটি জটিল অংক বোর্ডে বোঝাচ্ছিলেন নরেন বাবু ।ফার্স্ট বেঞ্চে বসে বিকাশ মনোযোগ দিয়ে দেখছিল আর খাতায় নোট করছিল। সেকেন্ড বেঞ্চে বিকাশের ঠিক পেছনে বসে ছিল মদন নামে একটি নিরীহ ছেলে। চন্দন খাতা থেকে কাগজ ছিঁড়ে ছোট ছোট গুল্লি পাকিয়ে মদনের
মাথা লক্ষ্য করে ছুঁড়ে মারছিল। মদন বুঝতে না পেরে এদিক ওদিক তাকাচ্ছিলো। কিন্তু কাউকে দেখতে পাচ্ছিল না। মুচকি মুচকি হাসছিল চন্দন। ওর পাশে বসে ছিল ভুটুদা। সে ও হাসছিল মিটিমিটি।
হঠাৎ একটা গুল্লি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বিকাশের মাথায় লাগে। সে উঠে দাঁড়ায়। বেঞ্চের উপরে পড়ে থাকা কাগজের গুল্লিটা হাতে নিয়ে উঠে দাঁড়ায় সে।দোষীকে খুঁজে বের করতে পিছন দিকে তাকিয়ে ভুটুদাকে দেখতে পায় ।ভুটুদার হাসি মুখ দেখে বিকাশ ধরেই নেয় যে, ভুটুদাই ছুঁড়ে মেরেছে কাগজের গুল্লিটা। বিকাশ কাগজের গুল্লিটা হাতে নিয়ে চিৎকার করে ওঠে,এই ভুটুদা,আমার মাথায় এটা কেন ছুঁড়ে মারলে? নিজে মন দিয়ে ক্লাস করবে না আর কাউকে করতেও দেবে না?
ততক্ষনে গোলমাল এর আওয়াজ কানে পৌঁছে গেছে নরেন বাবুর। উনি অংক কষা থামিয়ে ঘুরে তাকিয়ে চিৎকার করে বললেন, কি হল বিকাশ, গোলমাল করছ কেন? সমস্যাটা কি?
বিকাশ সবটা খুলে বলল। প্রচন্ড রেগে গেলেন নরেন বাবু। ভুটুদাকে বললেন, কাম হিয়ার।
ভুটুদা কিছু না বলে গুটি গুটি পায়ে নরেন বাবুর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। নরেন বাবু চিৎকার করে উঠলেন, তুই কি বিকাশের মাথায় কাগজের গুল্লি ছুঁড়ে মেরেছস?
ভুটুদা কোন উত্তর না দিয়ে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকলো।
নরেন বাবু চিৎকার করে উঠলেন, সনাতন, একটা বেত নিয়ে আয়।
মিনিট খানেকের মধ্যেই আমাদের স্কুলের পিয়ন সনাতন দা একটা কাঁচা বাঁশের কঞ্চি হাতে ক্লাসে ঢুকল। নরেন বাবু তার হাত থেকে কঞ্চি টা কেড়ে নিয়ে বললেন, তুই যা এবার।
সনাতন দা চলে গেল।আর তারপরেই নরেন বাবু ওই কাঁচা বাঁশের কঞ্চিটা দিয়ে নির্দয় ভাবে মারলেন ভুটু
মার্তর। আমরা নির্বাক। আমাদের কেবল মনে হচ্ছিল যে, ভুটুদা যেথ্যন সত্যি কথা বলছে না ! কারণ আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, ওই কাগজের গুল্লিটা ভুটুদা নয়, চন্দন ছুঁড়ে মেরেছে। ক্রমাগত মারতে মারতে এক সময় কঞ্চিটা ফেটে দু’টুকরো হয়ে গেল। নরেন বাবু ওটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বেরিয়ে যান ক্লাস থেকে।ওঁর পিছু পিছু বিকাশ ও বেরিয়ে গেল ক্লাস থেকে।
আমরা ছুটে গিয়ে ঘিরে ধরলাম ভুটুদাকে।ভুটুদা তখনো হাঁপাচ্ছিল। শ্যামল ওর বইয়ের ব্যাগ থেকে একটা জলের বোতল এনে ভুটুদার হাতে ধরিয়ে বলল, একটু জল খাও ভুটুদা,ভালো লাগবে।
নিতাই বলল, একটা সত্যি কথা বল ভুটুদা,ওই গুল্লিটা তুমি ছুঁড়ে মারো নি–কী ঠিক তো?
ভুটুদা কোন উত্তর দেয় না।
আমি বললাম,তুমি স্যারকে সত্যি কথাটা বললে না কেন ভুটুদা?
ভুটুদা নিরুত্তর। কাজল চিৎকার করে উঠল, চুপ করে থেকো না ভুটুদা। তোমাকে বলতেই হবে, কেন তুমি সত্যি কথাটা বললে না।
ভুটুদা খুব নিচু স্বরে বলল, তাহলে তো চন্দন খুব মার খেত। এই দেখ না, আমার যেমন হাত ফেটে রক্ত বেরচ্ছে,ওর ও তো তাই হত।
—-তো? ও অন্যায় করেছে, শাস্তি পেত।
—– তোরা কি ভুলে গেলি যে প্রায় এক মাস জ্বরে ভোগার পর ও মাত্র দিন চারেক আগে স্কুলে আসতে শুরু করেছে? ও এত মার সহ্য করতে পারত না রে!

এই ঘটনার দিন সাতেক পরের কথা।
সেদিন সকাল থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন।
একটু বেলা হলেই মুষলধারে বৃষ্টি আর বজ্রপাত শুরু হয়ে গেল। সন্ধ্যার একটু আগে বৃষ্টি কমলো ঠিকই ,কিন্তু ঝড়ো বাতাস বইছিল তখনো। আমরা ক্লাবে ক্যারাম খেলছিলাম ।হঠাৎ ভুটুদা প্রায় ছুটতে ছুটতে আমাদের ক্লাবে এসে সবাইকে ডেকে বলল, শিগগির নরেন বাবুর বাড়িতে চল সবাই।
—–কেন?
—–বিকাশকে সাপে কামড়িয়েছে।
আমরা ছুটতে ছুটতে নরেন বাবুর বাড়িতে গেলাম। গিয়ে দেখলাম, বিকাশ মরার মত পড়ে আছে। নরেন বাবুর বাড়ি লোকে লোকারণ্য। সন্ধ্যার একটু আগে বিকাশ নাকি ওদের বাগানে গেছিল। সেখানেই সাপে কামড়িয়েছে বিকাশকে।
আমাদের পলাশ পুর গ্রামে কোন পাশ করা ডাক্তার ছিল না, একজন হাতুড়ে ডাক্তার ছিল। সে রোগীকে দেখে বলল, বিষধর সাপে কামড়িয়েছে। এক্ষুনি হাসপাতালে নিয়ে না গেলে রুগীকে বাঁচানো যাবেনা। কথাটা শুনে বিকাশের মা হাউ হাউ করে কেঁদে উঠলেন।
নরেন বাবুর প্রতিবেশী গোলক দাস বলল, কিন্তু এই রাতের অন্ধকারে ঝড় বৃষ্টির মধ্যে হাসপাতালে নিয়ে যাবে কি করে?
আমাদের গ্রাম থেকে বাসুদেবপুর হাসপাতালের দূরত্ব ছিল প্রায় তিন কিলোমিটার। আমাদের গ্রামে তখন পাকা রাস্তা হয়নি। লাল মোরামের রাস্তা। সেই রাস্তাতেই ভ্যানে করে গ্রাম থেকে রোগী নিয়ে যাওয়া হতো বাসুদেবপুর হাসপাতালে।
আমাদের গ্রামে দুটো ভ্যান রিক্সা ছিল। একটা চালাতো মহেশ বায়েন, অন্যটা জগন্নাথ বাগদি নামে একজন। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল মহেশ বায়েন গ্রামে নেই, শ্বশুর বাড়ি গেছে। আর জগন্নাথ বাগদী বৃষ্টির দিনে দুপুর থেকে পচুই মদ খেয়ে এমন অবস্থায় আছে যে, তার পক্ষে ভ্যান টেনে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব।
সবাই মিলে যখন আলোচনা করেও বিকাশকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা ঠিক করতে পারছে না আর বিকাশের মা ছেলেকে ধরে হাউমাউ করে কাঁদছেন,তখন হঠাৎ ভুটুদা বলল, বিকাশ কে আমি হাসপাতালে নিয়ে যাবো। বিকাশদের প্রতিবেশী গোলক দাস বললেন, ভুটু,তুই কি ভ্যান চালাতে জানিস?
—– অল্পস্বল্প জানি। আর চালিয়ে নিতে না পারলে টেনে নিয়ে যাব ভ্যান, কোন চিন্তা কোরো না তোমরা। বিকাশ কে বাঁচাতেই হবে, ও ব্রিলিয়ান্ট ছেলে ,আমার সহপাঠী ।তবে একটা কথা বলছি, আমার দাদু আর দিদিমাকে কিচ্ছু বলো না তোমরা। খোঁজ করলে বলো, পাশের গ্রামে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে যেতে দেখিস তোমরা ।হয়তো বৃষ্টিতে আটকে পড়েছে সেখানে।
সেদিন রাতে ঝড় বৃষ্টির মধ্যে বিকাশকে আর বিকাশের মাকে ভ্যানে চাপিয়ে ভ্যান ভ্যান টানতে টানতে বাসুদেবপুর হাসপাতালে নিয়ে গেছিল ভুটুদা।
সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছিল বিকাশ।
পরদিন দুপুর থেকে জ্বরে পড়েছিল ভুটুদা‌। প্রায় দিন দশেক ভুগেছিল।
আর তারপরেই ঘটেছিল একটা মজার ঘটনা।
ওই ঘটনার পর থেকে ভুটুদা আর কোনদিন পরীক্ষায় ফেল করেনি অংকে।
না না,নরেন বাবু ভুটুদাকে দয়াকরে অংকে পাশ করিয়ে দেননি কোনদিন।
ভুটুদাকে অংক শেখাবার দায়িত্ব নিয়েছিল বিকাশ। আর কেমন করে যেন ভুটুদা শিখে নিয়েছিল অংক ঠিক করার মন্ত্র।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।