সাপ্তাহিক ধারাসম্পাতে সিদ্ধার্থ সিংহ (পর্ব – ৪৫)

দেবমাল্য
— তুমি আমাকে ফোন করেছিলে?
— হ্যাঁ। কিন্তু যত বারই ফোন করলাম, শুনতে পেলাম, দিস নম্বর ইজ নট একজিস্ট।
অবাক হয়ে গেল দেবমাল্য। সে কী! তার পর?
— তার পরেই দেখি বাইরে থেকে কে যেন দরজায় জোরে জোরে ধাক্কা মারছে। আর বাইরে থেকে ধাক্কা মারতেই খাঁচ থেকে কী করে যেন দাঁত মাজার ব্রাশটা পড়ে গেল। দরজা থেকে বেরিয়েই দেখি, ট্রেনটা চলতে চলতে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়েছে। ওদিকের দরজার কাছে একটা লোক নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ধরাধরি করে সবাই তাকে নামাচ্ছে।
— ওটা তো আমি ছিলাম।
— তুমি? কেন? কী হয়েছিল?
— সে অনেক কথা। পরে বলছি, তার পর কী করলে বলো।
— আমি তো ট্রেন থেকে নেমে চারদিকে তাকাতে লাগলাম। তোমাকে দেখতে না পেয়ে আবার ফোন করলাম। তখনও শুনতে পেলাম ওই একই কথা। দিস নম্বর ইজ নট একজিস্ট।
— বুঝেছি। তার মানে ফোনটা কেউ পেয়ে ততক্ষণে সিম কার্ডটাকে খুলে ফেলে দিয়েছিল।
— মানে?
— আমার ফোনটা হারিয়ে গেছে তো! সে একটা পরে কিনে নেবখ’ন। আগে তোমারটা বলো, তার পর?
দেবমাল্যকে উদ্বিঘ্ন হতে দেখে তানিয়া বলল, হ্যাঁ, কী যেন বলছিলাম? ও হ্যাঁ, তখন কোনও উপায় না দেখে আমি ফোন করলাম সামশেরকে। ও-ই আমাকে বলল, তুমি কোন হোটেলে উঠেছ এবং কীভাবে যেতে হবে।
দেবমাল্য জিজ্ঞেস করল, লাগেজগুলো কী করলে?
— কীসের লাগেজ?