সুবীর সরকারের কবিতা

শ্লোক
মরণঘোর পেরিয়ে মরণঘোরেই মিশে যাওয়া
ইন্তেকাল লিখে রাখা চারধারে
ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে আমার শরীর
রক্তে ভেসে যাওয়া পাকস্থলী নিয়ে গটগট
হেঁটে যাই
আমার প্রিয় ঋতুর নাম বিষাদ
আমার প্রিয় বন্ধুর নাম ভরসন্ধ্যে
সর্দি ও কাশির কনভয়
সব ও সমস্ত গোপন অসুখ
মিনিবাসের জানালায় আমি মেয়েদের ঘুমোতে
দেখি
শিরস্ত্রান নামিয়ে রাখবার পর দেখি শ্লোক
জাগছে
এগারো মাইল লম্বা ফরেষ্টে এবার উইক এন্ড
কাটাবো
হয়তো খুঁজে পাবো শেষপর্যন্ত নাকের
নোলক
তোমার বামহাত আমার কাছে বিষ্ময়
তোমার ডান বাহু আমার কাছে মহামড়ক
মৃত্যু অপেক্ষায় থাকে
জীবন্ত চুল্লি অপেক্ষায় থাকে
মৃত মুখে হলুদ জমলে কেউ কেউ অনুবাদ
করে কান্না
আমি মৃত্যুকে সংগীত ভেবে ওড়াতে থাকি
ফানুস
আমি জলের গ্লাস উলটে দিই
মৃত্যুর জন্য আজ একটু অট্টহাসি
মৃত্যুর দিকে ছুড়ে দিই স্বরবর্ণের মত
রোদ
আমার চোখে জল দেখে কেমন
চমকে উঠেছিলে
তুমি
মরণের পরেও খুব থেকে যাবো
তোমাকে জ্যামিতি শেখাবো
হাইরোডে দাঁড়িয়ে মৃত্যুর সাথে খুব আড্ডা
দেব
গুলিবর্ষণ পেরিয়ে আবার শীত ঢুকবে আমার
শহরে
হা হা হাসির মত মৃত্যু ঢুকবে আমাদের
শহরে