T3 || কবিতা দিবস || বিশেষ সংখ্যায় শম্পা সামন্ত

১)ক্ষয়িষ্ণু চাঁদের মতো
কেন তুমি চলে আসছ ঘুরে ঘুরে।
মস্ত ছুটে আসা বলের মতো।
সমস্ত আয়ুরেখায় জাগরণে আছি।
কয়েকটা বিনিদ্র রাত্রির জন্যই রাত্রি যাপনে।
কাল পর্যন্ত ক্ষমা করে গেছি ক্ষত হয়ে যাওয়া চাঁদের অসুখ।
আজ আর ক্ষয়িষ্ণু রোগকে সহ্য করব না।
তোমার ক্ষতস্থানে আমার ঠোঁট।
নিরাময়ের মতো নির্ভার।
এরপর প্রতিবাদ অসূয়ার শাখায় বাসা বাঁধে।
ভলকা এসে চাঁদের গায়ে আছড়ে পড়েছে। কিছুতেই সরানো যাচ্ছেনা।
২)আলাপের সিঁড়ি বেয়ে
এই সেই আলাপ থেকে থেকে ঝরে পড়ছে জল।কেমন হারিয়ে যাচ্ছে সম্পর্ক।
সমূহ দু: খ সরে যাচ্ছে অপর বিন্দুতে।
আমি সেই দিগন্তের সরলরেখায় হাঁটি।
এই সব আলোচনায় যেতে চাইনা দীর্ঘ অপেক্ষার রাত।
যে সব আলো ধোওয়া রাতের পেছনে নিরবধি ঝুলে থাকে পাপ।
এই সব নাছোর ব্যাথা।
অজস্র ভুল বুঝে বুঝে সামিয়ানা টাঙাই বিস্তৃত বেদনায়।
হঠাৎ যেখানে সোনালি সূর্য যাপনের কথা ছিল সেখানে অন্ধকার।
তবুও তর্জনী উত্তোলন স্বভাব বিরুদ্ধ নয়।
সেই নদীর নাব্য গতি ধরে এগিয়ে যাচ্ছ। সেই চিতাহরিণের গল্প চলে আসছে।
৩)একটা chargedকবিতা।
কবিতা মনে আসতে ঘণ্টা বেজে গেল।
বড়ো ঘড়ির তলায়, যেমন করে মিছিলের আগে জমায়েত হবার কথা ছিল চার্জড হবার আগে।
সকল দর্শক তখন নিকটতম পুষ্করিণীর তীরে বসে ছিপ ফেলছিলexeptআমি।
থুরি me.আ এখানে বাতিল।
আ তখন হাঁটুজলে কুমীরের বাচ্চাগুলোকে নতুন জামা কিনে না দিলে কেমন করে নকল কান্না শিখতে হয় তার তালিম দিচ্ছিল।
এই সব ধোপদূরস্ত চিল চিৎকার মিলে মিশে তৈরি হচ্ছিল এক একটা হাই ভোল্টেজ কবিতা।
আসলে ভোল্টেজ ছাড়া আলো জ্বলছিলনা। আমি তখন বেসুরো গান গুলো ভাঙা উনুনের পিঠে সেঁকে নিচ্ছিলাম।
এই সব কবিতার ভাঁজে শুকিয়ে রেখেছি অশ্রু।
বিরাট স্রোত ধরে প্রবাহিত দু: খ।
পাহাড় ডিঙিয়ে।
খাল পথে ঢুকে যাচ্ছিল কুমীরের কান্না।
দেহের ভিতর।
এগারো হাজার ভোল্টেজে।
সম্পর্কের তার কাঁটাগুলো আবেগের খঞ্জনি বাজায় ব্যর্থ পরিহাস লক্ষকরে।