ক্যাফে কাব্যে সঞ্জীব সেন

বিলাসী উঠোন:

বিলাসী উঠোন প্রেমিকার,
উঠোনে মেলা রয়েছে ত্রিশ পেরোনো মেয়েটির ব্রা, সায়া ব্লাউজ, হলুদ পাড়ের নীল শাড়ি
কবির না চাইতেও চোখ চলে যায়, পাশে তোলা উনুন , সন্ধ্যায় আঁচ পড়বে, রোদে শোকাচ্ছে পিঠার ছাঁচ, তোলা উনুনে উবু হয়ে ফুঁ দেবে.চোখ জ্বলবে তখন, বিরহী কবির চোখ ছলছল,,
কি ভেবে তরুন কবি লিখেছিল বিরহ পলাশ আর প্রেমের আরতি শালফুল,
কবির ভিতর তোলা উনোনের গল্প আগে থেকেই কি ছিল!
তাই কবিতা লিখতে বসে কবির চোখ চলে যায়,
বিলাসী উঠোনে এক অলৌকিক ঘরসংসার
কার!
কার আবার!
কবির আর প্রেমিকার!
দুপুরে এসো , একা থাকবো আজ,
আজ তুমি ছোঁবে, ভিতু প্রেমিক একটা
তখন ঠোঁটের ভিতর ঠোঁট
জিভ পেঁচিয়ে ধরছে দীর্ঘ সাপের মত
আর বুকের ভিতর বুক,
কী ভাবছি এসব, যা সম্ভব নয় !
কেন নয় অসম্ভবের ভিতর থাকে সকল সম্ভাবনা পড়োনি?
আসলে কবিরা সব ভিতুর ডিম, ধানক্ষেতে কিসের ভয় এত!
“তোমার কোন গাছবন্ধু নেই
জানো গাছেরা মানূষের ছোঁয়া বুঝতে পারে”
মনে হয় এই কবি জয় গোস্বামীর ফ্যান ছিল
শূন্য দশকের কবি!
প্রেম করত, কিম্বা বৌ নিয়ে সংসার!
কোন বই কী আছে, না লুকিয়ে করত কবিতা-চর্চা!
“না লিখলে লোকে জানবে কী করে
তুমি একটা ভিতু কবি, তোমার দ্বারা কবিতা হবে না, হবে না, হবে না, “
কী দরকার ছিল বলুন তো!ভালোই ছিল প্রেম নিয়ে
বিপ্লব করতে গেলেন!
এবার গুলি খাঁ, রাষ্ত্র্রের চোখ লাল জানত না!
গুলি না খেলেও চাপা পরে মরত একদিন !
নাহলে জীবনানন্দের ধূসর পান্ডুলিপি পড়তে পড়তে ট্রামের নিচে এসে!
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।