সাপ্তাহিক ধারাবাহিক উপন্যাসে শতদ্রু ঋক সেন (পর্ব – ১২৮)

ফেরা

লাদাখ ছাড়ার বেলা এসে গেল। এবার গন্তব্য কাশ্মীর।
হাতে গোনা কদিন ছিলাম এই মায়াময় অঞ্চলে। এতো শান্তিতে কোথাও ঘুরিনি।এতো শান্ত সুন্দর জায়গাও আর দেখিনি কখনো।
কর্মা এসে নিয়ে যান লেহ গাড়ি স্ট্যান্ডে। এক ছোকরা কাশ্মিরী ড্রাইভার ঠিক করেন। সে আমাদের ম্যাগনেটিক হিল, শহর ছাড়িয়ে আরেকটি মনেস্ট্রি দেখিয়ে সেই দিনটা কার্গিলে হোটেল খুঁজে দেবে। পরদিন ভায়া বালতাল সোনমার্গ হয়ে শ্রীনগর।
গাড়ি ছাড়ে। বাঁকে দাঁড়িয়ে কর্মা হাত নাড়তে থাকেন। যতক্ষণ পারি দেখতে, তাকিয়ে থাকি আমরা। একসময় বাঁক ঘুরলে তিনি অদৃশ্য হয়ে যান।
ম্যাগনেটিক হিল আসে। এ এক আজব জায়গা। সামনের পাহাড়, চুম্বকের মতো গাড়ি টানে। কেউ বলে দারুণ, কেউ বলে ভাওতাবাজি। ড্রাইভার গাড়ি থামাতে চায়, আমরা রাজি হই না। দরকার নেই। তার চেয়ে এগিয়ে যাই।
বেশ অনেকটা পথ পেরিয়ে গাড়ি থামে। একটি গুরুদ্বার। আমরা নামি। রোদের তেজ খুব। প্রবেশ পথের পাশে চিলার বসানো। হাত মুখ ধুই। তারপর মাথায় রুমাল বেঁধে ভেতরে প্রবেশ করি। নাম গান শুনি একটু। ভালোই লাগে। স্টিলের থালায় ঘি জবজবে হালুয়া আসে। বড়ো মিস্টি। তবে প্রসাদ, ফেলা যায় না। খেয়ে আবার বাইরে থেকে ঠান্ডা জল খাই। এবার গন্তব্য মনেস্ট্রি। ঘড়ি বলছে বেলা দশটা।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।