আজকে থেকে সাহিত্য Marg এর দায়িত্ব দেওয়া হলো অনিন্দিতাকে। ও পুচকে একটা মেয়ে, কলেজে পড়ে সেকেন্ড ইয়ারে। মাত্র ছ’মাস সঙ্গে নিয়ে ওকে চলেছি আমরা। এখন ও আমাদের সঙ্গে নিয়ে চলছে। যেটা বোঝানোর আশাকরি বোঝাতে পারলাম।
প্রতি বুধবার ও হাজির থাকবে যথাসময়ে
আজ বিকেল থেকে নতুন রূপে সাহিত্য Marg
আমিও থাকবো, আপনাদেরও সঙ্গে চাই।
আসলে এই পোস্টটি করার আগে ভাবছিলাম। অনেকক্ষণ ভাবছিলাম। আসলে ওই পুচকে মেয়েটা আমার সাতদিনের আনাচেকানাচে। ওকে মেশানো হয়েছে রক্তে ক্যান্সারের মতো৷ কিলবিল করা কবিতা আর গদ্যের শুড়গুলো সমানে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরেছিলো আমাকে৷ ও কবিতার কেউ না, গদ্যের কেউ না। ১০০ জন পাঠকও ওর নেই৷ তাই বুঝি এতো নরম হাতে ধরা পড়েছে অ আ ক খ রা। যদি সব ঠিকঠাক চলে তবে আমি ওর গদ্যের বই করবো এক বছরের মধ্যে। এখানেই সিদ্ধান্তটা জানালাম। আমার ডিরেক্টর সাহেব আমাকে অবশ্যই সঙ্গ দেবে জানি, ও আমার সিদ্ধান্তকে চেনে। আমি জানি আমি হুটহাট সিদ্ধান্ত নিই, হয়তো তাই জন্যই ঋষি দিব্যি আমায় কাব্যি করে প্রধান সম্পাদকের চেয়ারে বসিয়ে দিয়েছে। আর আমার ইচ্ছাগুলো হয় নিজে হাতে এক্সিকিউট করেছে অথবা আমায় পুরোটা আমাকেই ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু,যদি, তবে, বা – এসব শব্দ আমাদের কথায় আসে না।
সুতরাং আবারও একটা ফোন এলো। আর ৩ মিনিট পর গেলো। ৫ মিনিটের কথপোকথন। উত্তর ইতিহাসের নাম আপনাদের চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে। অনিন্দিতা ভট্টাচার্য। কী মিষ্টি নাম না!