দিব্যি কাব্যিতে সুতপা পূততুণ্ড

দায়ী কে
লক্ষীর তিন নং এবোরেশনের সময় নার্স ওকে জিজ্ঞেস করে এর জন্যে কে দায়ী?
লক্ষীর চোখ দুটো ৬৫ বছরের দাদুর দিকেই আটকে থাকে।
ওর জন্মের দু বছরের মধ্যেই ডাক্তার জানিয়ে দেয় ও অটিজম বেবি।
তখন লক্ষীর মা দু মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
অগত্যা নিজের মায়ের কাছে রেখে যায়,লক্ষী।
বাবাও কথা দেয় ওর দেখ ভালের কোনো অসুবিধা হবে না।
লক্ষী যখন ১২ বছরের তখন ওর দিদা মারা যায়,লক্ষীর মা মায়া মেয়েকে নিজের কাছে নিয়ে আসে। কিন্তু লক্ষীর মন বসে না।
ও ঘরের কাজকম্ম সবই পারে তবে ধীরে ধীরে কাজ করে।
হাতের জোর কম।
এদিকে মায়ার ছোট বোন ছুটকি, স্বামীর কাজ না থাকায় বাপের বাড়ি চলে আসে,ওর এক মেয়ে।
লক্ষী কে আবার মায়া, ছুটকির জিম্মায় রেখে আসে।
লক্ষী যখন প্রথম বার প্রেগন্যান্ট হয় তখন ওর মাসী অনেক জিজ্ঞেস করেও কিছু জানতে পারে নি,তারপর পলি ক্লিনিক এ নিয়ে এবোরেশন করিয়ে নিয়ে আসে।
ছুটকি মায়া কে কিছুই জানায় না।
দ্বিতীয় বারের বার ছুটকি লক্ষীকেই দায়ী করে! অথচ ওর কোনো দোষ ছিল না।
তৃতীয় বারের বেলায় ওর দাদুই নিয়ে যায়!
নার্স কে বোঝাতে সক্ষম হয় অটিজম বেবি বলে ওর সাথে বারবার এরকম হয়!
কিন্তু নার্সের সন্দেহ হওয়ায় লক্ষী কে জিজ্ঞেস করে।
লক্ষীর চাউনি দেখে নার্সের বুঝতে অসুবিধা হয়না কে আসল কালপ্রিট!