জন্মাষ্টমী স্পেশাল এ সুতপা পূততুণ্ড

মায়ার বাঁধন
মায়া রানী দেবীর বয়েস ৬৮ বছর,৷
হঠাৎই পেটে অসহ্য যন্ত্রণা, লোকাল ডাক্তার দেখানো হলো,উনি ইঞ্জেকশান দিয়ে তখনকার মতো ব্যথা কমালেন বটে,পরামর্শ দিলেন,যত শীঘ্র সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যেতে।
মায়াদেবী আনন্দ লোক হাসপাতাল এ ভর্তি হলেন,প্যাকেজ সিস্টেম,তিন দিনে ২৫০০০/-(আল্ট্রা সাউন্ডে গলব্লাডার ধরা পড়েছে।)
অপারেশন টেবিলে নিয়ে যাওয়া হলো,বেশ কিছুক্ষন পর রোগী ফেরত এলো!
ডাক্তার বাবু কিছুক্ষন পর এসে জানালেন, ওনাকে অন্তত ৬ মাস নেশা থেকে দূরে রাখুন।তবেই অপারেশন সম্ভব!
“উনি ত পান ছাড়া কিছুই খান না!”
তবে?
খোঁজ নিয়ে জানা গেল,মায়া দেবী কে পানের সাথে আফিম খাওয়াতেন,ওর নিজের নাতি,মায়াদেবীর বাড়ির কজের মেয়ের সাথে প্রেম করতেই এই ফন্দি!
তবে কাজের মেয়েটিও কিছু কম নয়! মায়াদেবীর হাতবাক্সে বেশ কিছু টাকা সরিয়ে নিজের পোর্টবান ভর্তি করেছে।
মায়াদেবীর ঘোর কাটলে জানা যায়,হাতসাফাই করার সময় ধরা পড়ে যায়,কলমী ,নাতিকে সব জানানোর পর নাতির বুদ্ধিতেই চুপ থাকেন!
আরো কিছুদিন পর মায়া দেখতে পায় তার নাতি কলমীর ঠোঁটে ঠোঁট বসিয়েছে! তখনো চুপ ছিলেন,অন্ধ স্নেহে!
তারপর যেদিন কলমীর নরম দেহ টা কেঁপে কেঁপে উঠছিল, আর নাতি বার বার মুখ চাপা দিয়ে শব্দ করতে বারন করছিল,সেদিনই মায়া চিৎকার করে ওঠে! নাতি ক্ষমা চেয়ে নেয়,”আর হবে না ঠাকুমা”
পরের দিনের দুপুরের পান টা কেমন যেন তেতো লাগছিল! প্রতিদিনই তেতো পান, অথচ বেশ ভালোলাগা জড়িয়ে থাকত!