কবিতায় শান্তনু প্রধান

স্বল্প দৈর্ঘ্যের জীবন

মিথ্যে কোলাহলে অন্ধকারের উপঢৌকণ
এবং কে কার উপাচার্য না জেনে
কেন যে ঝরে যেতে চাও স্বল্পদৈর্ঘ্যের জীবন
সময়ের উপাখ্যান শুরু হওয়ার আগে দেখি
রাতের পাখিরা মেরেছে কতগুলো অজ্ঞাত বাউনসার
আর রুমালে লেগে থাকা প্রেমিক মাংসের মাহাত্ম্য
কেউ যদি বিস্তৃত হয়েছেন
দেখে ফেলেছেন উঠোন জুড়ে রক্তাক্ত প্রজাপতি
দীর্ঘমেয়াদী বিরহ নিংড়ে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন
আমিও সেই অদ্ভুত ফেলু
আত্মপ্রতিকৃতির দিকে এগোবো বলে
বিদ্যালয়ের সমস্ত বেঞ্চে নৈ:শব্দে খোদাই করে রেখে এসেছি
শোকার্ত মায়ের নির্বিকল্প হাড়ের গন্ধ
এই সময়ের পূর্ণতা
কিভাবে যে অস্বীকার করতে পারো গোধূলি বর্গের চাঁদ

যুদ্ধের মহিলারা লুডো খেলা জানতো না বলে
উৎকণ্ঠিত প্রণয় দৌড়ে অন্ধত্বের রঙ মেখে ঘুমিয়ে পড়েছে
ঘটনাচক্রে মাঝরাতে পরিচর্য করতে গিয়ে উঠে দেখি
বিষন্ন চাঁদের গায়ে লেগে আছে কাপালিক বন্যায়
ভেসে আসা লাল চন্দনের ঘ্রাণ
মানুষের মাটির পুতুলের মত খান খান হব ভাবী
তবে কি তাকে তুমি প্রশ্রয় দেবে তোমারই
ডিজিটাল সংগ্রহশালার মুখ্য দরজায়
প্রাচীন মূর্তির চোখে দেখি নিভে যাওয়া কুসুমের হাসি
কেন যে ঝরে যেতে চাও স্বল্পদৈর্ঘ্যের জীবন।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।