কবিতায় শান্তনু প্রধান

প্রবাদ প্রচলিত অভ্যর্থনা
আখাঙ্খার ধুলো এসে জমা হলো অপেক্ষার মাদুরে
দৃশ্য ক্রমশ বিষাদ
তারাদের শরীর থেকে খসে পড়া লালায়
কারা যেন ভাসিয়ে দিলে আমাদের তরী
বসন্তবৌরি এসে উঁকি মারে বেঁচে আছি কিনা
সে এক আত্মীয়হীন ভিন্ন প্রতিরূপ
শিকড়ের টানে এগিয়ে যাচ্ছে যাবতীয় গুল্মলতা
আমিও কি তবে তাদের বিশুদ্ধ পতন প্রস্তাবে
উৎকৃষ্ট হাড়ে বুনে দিতে পারি প্রাচীন অরন্যের স্তব্ধতা
পরস্পর শূন্যতায় জমে থাকা কুয়াশা
কেন যে খুঁজে বেড়াও উৎসর্গের ঋতু
অপেক্ষার মাদুরে পুড়ে যাওয়া সমস্ত বর্ণ
অনন্ত নদীর অতলে তোমাকে অতিক্রম ক’রে
কিভাবে ফিরে আসবে তবে উচ্চস্বরে
মায়াজীর্ণ সংসারেও যে ঝুলে আছে ভোরের আগুন
গৃহমুখী আঙ্গুলের ডগায়
আশ্রয় পেয়েছে আকাঙ্ক্ষার ধুলো
যদি পারো তুমি তার বর্ষা হও কিংবা জীর্ণ দেউল।