কবিতায় শান্তনু প্রধান

দ্ব্যর্থহীন
আশা – আশঙ্কায় আমার হাঁটু অব্দি
চরে চরে উঠে এলো অমীমাংসিত একটি সমুদ্র
তারই ঈশান কোণে ভৌতিক জ্বর সরে যেত
টুকরো টুকরো কয়েকটা অন্ধকার সযত্নে রাখি
সেই অন্ধকারে সভ্যতার দুটি পাখি দানা বাঁধে
যদি কখনো বরফ গোলে ফুটে ওঠে সূর্যের অনিঃশেষ হাসি
হয়তো সেদিন প্রাচীন দুর্গ ফুঁড়ে তুমি অঙ্কুরিত হবে
হয়তো সেদিন পায়ে -পায়ে হেঁটে চলা বৃষ্টিরা
পথে -পথে ছড়াবে মুক্তির আনন্দধারা
এসো সমুদ্র নৈশভোজের পাতায় রাখি
বিতর্কীত জন্মের অববাহিকা ও তার সুখের স্বরলিপি
ঘটনচক্রে এখানেই কি তবে
খুঁজে পাওয়া যেতে পারে সংস্কৃতির প্রতীক
কোনো ছায়া নয় কিংবা কোনো অজুহাত
ডিজিটাল সময়ের ক্যানভাস চিরে
তার অখন্ড শরীরের খানাখন্দে কি রঙ বুনে দেবে
এই কি আমাদের আত্মতুষ্টির মায়াজাল
নাকি ক্ষিপ্র পর্বের অপ্রত্যাশিতy সিগন্যাল
এসো সমুদ্র তোমার ভেতর নিহিত আছে
নিগৃহীত সময়ের দ্ব্যর্থহীন বার্তা।