কবিতায় শান্তনু প্রধান

অসম্পূর্ণ পৃথিবীর অংশবিশেষ
আমার ভাবনার ভেতর দুটি ইঁদুর পচার সংলাপ শুনেই
শ্রাবণের মতো ঝরে পড়ল কুরুক্ষেত্রের অসম্পূর্ণ ইচ্ছে গুলি
সেই সব ইচ্ছে গুলি যত্ন করে দুটি ভাতের থালায় সমানভাবে সাজাতেই
ডাইনিং টেবিল থেকে ডান দিকে সরে গেলেন আমার মেয়ে এবং
বামদিকে সরে গেলেন ক্লাস সিক্সে পড়া আমার ছেলে
এই দূরত্বের যোগফল খানিকটা তৃষ্ণা নিবারণের জন্য
আমাকে সুড়সুড়ি দিতেই পৌঁছে গেলাম বাহান্ন তীর্থের অন্ধকারে
কোন নেটওয়ার্ক ছাড়াই শুধু একা শূন্যে ভেসে আছি
কোথাও কোন খিড়কি ও সদর নেই
সে এক নতুন পৃথিবীর হলুদ ঝরা পাতারা
অনাড়ম্ভে ক্রমশ ঢেকেই চলেছে আমার নগ্ন শরীর
আর একটি সুড়ঙ্গের ভেতর দিয়ে অনাবিষ্কৃত দৃষ্টি কেন জানি না
নথিবদ্ধ হওয়ার কি সে আকাঙ্ক্ষা ঈশানকোণে
ছড়িয়ে চলেছে নানান রঙের উত্তেজনা
হে গোকুল বিহারী তবে কি অভ্রান্ত দুটি ইঁদুর পচার সংলাপ
তা শুধু নিজের মুঠোর ভেতর রেখে
মেঘলা জলের দিকে এগিয়ে দেবে পূর্ণিমার চাঁদ
কাকে এড়িয়ে যেতে চাও এই সময়ের ধারাপাত।