কবিতায় শান্তনু প্রধান

নীল অন্ধকারে বুনে রাখি জোৎস্নার চাদর

বড় জোর একটি ক্ষয়িষনু পাতার আড়াল গোপন করতে পারে আমাদের জলছবি
সাঁতার জানি না বলে বড় জোর একটি নদীর কিনারে ডুবে যেতে পারে
মাছরাঙা পাখিটির ধারালো চোখের মত অবিরত একটি চোখ
সেই চোখের বোধিবিন্দু জুড়ে ত্রিবেণী সঙ্গম
আমর তর্পণ শেষ করে বড়ো জোর কুষে ভোরে
গঙ্গার স্রোত নিয়ে আসতে পারে তোমার নীল বিছানার পাশে অন্য কেউ

ওগো সুন্দর
তবুও যে আমি একটি ঝরে যাওয়া রেণুর দিকে অবিচল থেকেছি
এই কি তবে পাপ
বৃক্ষ পরীদের বুকের দিকে ধেয়ে আসা দূর্বা ঘাসের শিকড় আমাকেও টানে
ঝরে যাওয়া রক্তাক্ত শরীর ও বঞ্চিত স্থাপত্য কেনইবা জানবে শুধু পর্নমচি শাখা
আর তুমি দেবীপক্ষের বোধন ঘটে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও
যাবতীয় বিশ্বাস ও বোধ ভোরে কিসের আকাঙ্খায় যে আজও অঞ্জলি ব্রত
হয় তো তাই বহুকাল আগে ভেসে গেছি নীল নক্ষত্রদের রুড ক্যাপে জেগে থাকা সংসারে
এতটুকুও টের পাওনি তুমি
দেখো দেখো বিসর্জনের আগে কাঠামো ধরে দাঁড়িয়ে আছে প্রেত আত্মার দল
হয় তো তাই পরিকল্পিত কান্নার প্রস্তাব হেঁটে যাচ্ছে সমুদ্রের অন্ধকারে

এই সভ্যতার আলো – আঁধারে যত্ন করে যে নিপুণ জ্যোৎস্না বুনেছি
কখনও তুমি কি তা জানতে নাকি
মাল্টিটাস্কিং কসমেটিকসের বাজারে উদ্বোধন কেরেছো ভার্সেটাইল সম্পর্কের সুনিবিড়ত্তর স্পর্শ
তবে কি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাত শুধু জনে
আত্ম প্ররোচনার প্রভাব রয়েছে ঝড়ের পূর্বভাসে।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।