কবিতায় শান্তনু প্রধান

ওই নিষাদ
তুমি না হয় ছিলেনা
মাঠ পেরিয়ে ধুধু দ্বিপ্রহর
নিথর বায়ুর আহ্বানে
গাভিনীর বাঁটে ভার হয়ে ঝুলে আছে
তুমি না হয় সম্পর্কের ঋতু জুড়ে উত্তীর্ণ অক্ষর
আমার ক্ষুধাজীর্ণ সাঁকোয় নেচে ওঠা গোধূলি চাঁদের পারদ
অথচ আমার শরীর জুড়ে দিব্যি
কেন যে খেলা করে অলীক স্বপ্নের চাদর
সেই ইচ্ছের সুড়ঙ্গে যতদূর খুশি ঢুকে যায়
ব্যাকুল শ্রাবণের নির্ধারিত নিয়তির স্বরলিপি
তুমি না হয় ছিলেনা
তবুও তো সেই সম্পর্কের বনাঞ্চল জুড়ে তোমারি অর্কিড
আমারই মুমূর্ষু আত্মার ওপর পা ছড়িয়ে বসে আছে
মেঘের আড়ালে হয়তো তাই
আমোঘ জলোচ্ছ্বাস নির্জনতা খুঁটে খায়।