কবিতায় শান্তনু প্রধান

কেউ ছিলো না কোনোদিন
শুধু একবার তোমার দেখা পেতে
ভাসমান কাগজের মত
সংকীর্ণ পথে এগিয়ে চলেছি
গতিপথ চিনতে পেরে
কেন যে তুমি ঘুরে যাও আকাশের দিকে
এই যে দীর্ঘকাল অপেক্ষা করে আছি
তার কি কোন মানে আছে
নিভৃত স্তব্ধ আকাশ কোনো অধিকার দিতে চায়না বলে
পর্বতের শীর্ষে আমাকে উলঙ্গ কোরে
রৌদ্রের ধার আরো বেশী চকচক করে তুলতেই
কাঁচের বোতল ভেঙে সমস্ত আশ্লীলতা
ছাড়িয়ে পারলো স্তব্ধ পাথরের মুদ্রিত অক্ষরের ওপর
এই বিশ্বাস কি তবে
প্রত্যক্ষ মৃত্যুর থেকে আরো বেশী দামী হতে পারে
এসো মৃত্যু
হাওড়া- ব্রিজের উপর থেকে অতিক্রম করে চলো গঙ্গোত্রী
এইমাত্র যৌবন সরিয়ে কুয়াশার মধ্যে রাখলাম বার্ধক্যের ওষ্ঠ
জাগো অমাবস্যা কিংবা পূর্ণিমা
তবে শাসকের ভারে নয়
শুধু একবার তোমার দেখা পাবো ভাবতেই
ঝমঝম ভিজে যাচ্ছে একখণ্ড পৃথিবী
শুধু একবার তোমায় স্পর্শ করতে চেয়ে
সেই প্রথম বুঝেছি স্বর্গে কেউ নেই
এক খন্ড কাগজের নৌকায় ভেসে যাচ্ছে রঙিন পুতুল।