গারো পাহাড়ের গদ্যে ড. এস এম শাহনূর (পর্ব-৯)

দানবীর
➤ঐতিহাসিক বহু সভা-সম্মেলনের সাক্ষী মহেশাঙ্গন:
তৎকালীন ভারত বর্ষ ত্রিপুরা রাজ্যের উল্লেখযোগ্য সভা-সমিতি সংগীত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,উল্লেখযোগ্য বক্তৃতাসমূহ এখানেই নাকি সম্পাদিত হয়েছিল!
এই মহেশাঙ্গনে স্বদেশী যুগের সম্মেলন, নিখিল বঙ্গ আইনজীবী সম্মেলন, অল বেঙ্গল পেট্রোল কনফারেন্স, অল বেঙ্গল পোস্টার কনফারেন্স, অল বেঙ্গল টিচার্স কনফারেন্স, ওলেমা কনফারেন্সসহ সর্ববিধ নিখিল বঙ্গ সম্মেলনের আদর্শ স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল। তাছাড়া সেইসময় ভাগবৎ গীতাপাঠ, মিলাদ মাহফিল, ইসলামিক ওয়াজ মাহফিল, মুকুন্দ দাশের যাত্রাগান, রামকমল ভট্টাচার্য্যরে কীর্তন, বৈষ্ণব সম্মেলন কতকিছু যে এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছে তার ইতিহাস কে লিখবে?
➤মহেশাঙ্গনের সঙ্গে একাত্ম ব্যক্তিবর্গ:
সেইসময় নামকরা শিক্ষকরা ঈশ্বর পাঠশালায় শিক্ষকতা করেছেন। মহেশ চন্দ্র ভট্টাচার্যের সকল কাজে একাত্মতা স্থাপন করেছিলেন বৃহত্তর কুমিল্লার বিশিষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ, তাঁরা হলেন, জাতীয় তথা কংগ্রেস নেতা অখিলচন্দ্র দত্ত, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, এ. রসুল, মথুরামোহন দেব, কৈলাশচন্দ্র দত্ত, রায়বাহাদুর ভূধর দাশগুপ্ত, কামিনীকুমার দত্ত, রায়বাহাদুর অনঙ্গমোহন নাহা, বিশ্বেশ্বর চট্টোপাধ্যায়, প্রতুল দাশ ভৌমিক, গোবিন্দ সাহা, রাখাল রায়, অতীন্দ্রমোহন রায়, যতীন ভদ্র, অক্ষয় পাল, অতীন্দ্রমোহন ভদ্র, অধ্যক্ষ রেজাউর রহমান (কুমিল্লার প্রথম ল কলেজ), মজিবুর রহমান, ডাঃ সুলতান আহম্মদ, আশ্রাফ উদ্দিন চৌধুরী, ভুবন ধর, হাবিবুর রহমান, সুরেশ সিংহ রায়, প্রকাশ সিংহ রায় (ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ভাতৃদ্বয়), বসন্ত মজুমদার, গুরুদয়াল সিংহ, ঊর্মিলা সিংহ প্রমুখ। এছাড়া অধ্যাপকবৃন্দ, ব্যবসায়ীবৃন্দ, কুমিল্লা অভয় আশ্রমের নেতৃবৃন্দও মহেশচন্দ্রকে সর্বদা সমীহ করতেন এবং উৎসাহ দিতেন।