কোন এক দৈববাণী থেকে নেমে এসো ঝোরা–
রোহিনীতে যা কিছু হারিয়েছিলাম, খুঁজবো একসাথে৷
আমার সুখের ঘরে অসুখ,
অসুখের ঘরে ভ্রমের সুখ৷
তোমার দুকূল ছাপানো চোখে আজও ভেসে চলেছি…
সেই ভেসে যাওয়ার মাঝে ভেঙে গেছে
সমস্ত সঙ্কোচ ও নিষেধের প্রাচীরগুলি৷
যা কিছু হারিয়েছিলাম, একা একা খুঁজে পাই না,
তোমাকে ছাড়া তা পাওয়া কি সম্ভব?
এই যে সকাল থেকে রাত অবধি স্বপ্নের সৎকার করি,
অথচ তুমি কিছুই জানো না, তুমি জানো না
হৃদয় রিফু করতে করতে আমি মুমূর্ষ হয়ে উঠছি ক্রমশ৷
কোন এক দৈববাণী থেকে নেমে এসো ঝোরা–
খোঁজার ছলে মিলিয়ে দেবো হারিয়ে ফেলার অংক৷
বুঝবে, একা হওয়া নয়, মিলিত হওয়াই আলস মুক্তি…
সেদিনও কি কানে কানে বলবে না তিনটি অমৃত শব্দ?
মায়া
রক্তমজ্জায় ঢেউ তুলে মিলিয়ে যায় রাধিকার অগ্নিসম চোখ
ময়ূরের পালকের মতো যত্ন করে রেখেছি কামনার ফেরি
অন্তরাত্মার চিরবর্ষায় আর ভিজে ভিজে অসুখ বাধাই না
বরং অভিসারের নদীটিতে চালাই প্রেমিকের কাব্য-নৌকো
অস্ফুট… অর্ধস্ফুট… কখনও কখনও স্পষ্ট কিছু কথামাধুরী
ধ্বংস ও সৃষ্টির ঠিক মাঝখানে জাগিয়ে রাখে অনুরত মায়া