কবিতায় বলরুমে শৈলেন মন্ডল

কবিতা আসেনা
আমার আজকাল আর কোনো কবিতা আসে না
আমার ভালো লাগে পাহাড়ী ঝর্ণার জল
স্নানে সিক্ত হয় মন প্রাণ
বর্ষার জল আমার মন কেমন করা রাতের আভাস
আমার এখন আর কবিতা আসে না।
কালো মেয়ের জন্ম দিয়েছে বলে বাবা মুখের দিকে আর তাকায় না
সমাজে নাকি মুখ দেখাতে পারবে না
মেয়ের বিয়ে দিতে পারবে না।
রজঃস্বলা মেয়েটি নাকি ব্রাত্য তাই তার কাছ থেকে কেনা গোলাপ মনের অজান্তে কোনো শুভ কাজে লাগাতে ও দ্বিধা নেই।
পন দিতে না পারা বাবার মেয়েটিও সংসারে সুখী হতে চেয়েছিল। বাড়ীর লাঞ্ছনা গঞ্জনা কতো সহ্য করে ওষ্টাগত প্রান।
মেয়েটি প্রতিবাদী হতে চেয়েছিল কিন্তু আজও ভরসার কলম খুৃৃঁজে পায়নি।
আজীবন সংসার টেনে যাওয়া মানুষটাও শেষ বয়সে বিশ্রাম নিতে চায়। কেউ ওর দিকে ফিরেও তাকায় না। অবশেষে স্থান হয় বৃদ্ধাশ্রমের বৈঠকখানায়।
এখন আমার আর কোনো কবিতা আসে না।
জীবনের পাঠশালায় দৈনন্দিন কত কিছুই না শিখি আমরা তবুও আমাদের মানবিক চেতনা আজও জাগেনি।
তাই অনুভূতিরা আজ ভাষা হারায়
কবিতা আর তাকে আজও চিনতে পারেনি।
তাই হয়তো আমার আর কোনো কবিতা আসে না।