পরের দিন সকাল মোটেও স্বাভাবিক ছিল না সন্দীপনের জন্য । হতাশা যে এখনও গ্রহণ ঘটিয়ে রেখেছে তা তার চেহারা দেখলেই স্পষ্ট । তবু তো সকলকে স্বাগত জানাতে হয় নিজের কাজের মধ্যে দিয়ে । সন্দীপনও তাই করলো । দেখতে দেখতে বেলা গড়িয়ে এলে সত্যবতীর ফোন এসে হাজির হলো । তখন প্রায় সাড়ে দশটা । সন্দীপন বুঝে উঠতে পারছে না কিছুতেই , কি করে তাকে বলবে কি ঘটে গেছে । তবু বলতে হবে , কারন সত্যবতী না জেনে ছাড়বে না কিছুতেই । অগত্যা সব বলে দিল সে , বসন্তের বুকে কিভাবে শীতের প্রলেপ আটকে দিয়েছে ওরা ।
সব শুনে সত্য বললো ,
—– রূপময়ের পোষ্টটা একবার দেখতে পারি ।
সন্দীপনের মনে তখন অদ্ভুত দোলাচল । একবার মনে হচ্ছে , কি হবে দেখিয়ে আবার মনে হচ্ছে , সত্যকে না দেখানো কি উচিত হবে একফোঁটাও । এই গভীর ভাবনায় চুপ করে গেছে সে , নিস্তেজ হয়ে পড়েছে যেন ।
ওদিকে সাড়া না পেয়ে , সত্যের মনে চিন্তা বেড়ে চলেছে । সে বেশ বুঝতে পারছে যে কতটা অসহায় হলে , একজন মানুষ এতটা ভেঙে পড়তে পারে । সে ধারণা করতে পারছে সন্দীপনের অবস্থা ঠিক কি হয়ে আছে এখন । তবু যদি তার কথায় কিছুটা সাহস জন্ম নেয় , এই ভেবে সে আস্তে করে বললো ,
——- দেখো , ভেঙে পড়ে তো কোন লাভ নেই । উঠে দাঁড়াও । প্রতিবাদী হও । তুমি তো অন্যায় করো নি , তাহলে ভাঙছো কেন !
সন্দীপন এতক্ষনে ধীর কণ্ঠে উত্তর দিলো ,
—— প্রতিবাদ ! কে শুনবে প্রতিবাদ । সবাই তো তারই পক্ষে । রূপময়ের ওয়ালে গিয়ে দেখো , কত মানুষ তার দিকে । কত মানুষ তার পক্ষে ।
—— সকলে নয় । নিজের এই হবু স্ত্রীর কথা ভুলে যেও না । সুখে দুঃখে স্বামীর পাশে দাঁড়ানো স্ত্রীর দায়িত্ব । তুমি ভাবছো আমি স্ত্রী হলাম কবে ! তবে শোনো পরিনিতা হতে মনের মিলন প্রয়োজন । আর আমাদের সে মিলন আগেই হয়েছে । তাই ওঠো , প্রতিবাদ করো ।
সত্য উত্তর দিলো । তবে সন্দীপনের কোন উত্তর এলো না আবার । সত্য উল্টোদিক থেকে যখন ক্রমাগত ডাক দিয়ে চলেছে তখন ফেসবুকে আসা কিছু লাইন উত্তর হয়ে ভেসে উঠলো সামনে তার । একদিকে ওই পোষ্ট আর অন্যদিকে সন্দীপনের গলা ,
—— আমরা করবো জয় , নিশ্চয় ।
এই বলে সন্দীপন ফোন কেটে দিলেও , ফেসবুক জুড়ে যে বিস্ফোরণ হয়েছে এই মাত্র সত্যবতী অবাক হয়ে চেয়ে রইল তার দিকে শুধু ,
” বিপ্লব আসে না প্রেমহীনা
ভালোবাসা বিদ্রোহ জাগায়
নিজের বলে কাছে ডাকে নি যাকে
তার জন্য কি জীবন দেওয়া যায় !!
আমি বিদ্রোহী হয়েছি
তোমার ভালোবাসা আমাকে ভালোবাসতে শিখিয়েছে
নারী যন্ত্রনা , দারিদ্র , মানবিকতা চিনিয়েছে ।
আমি ভালোবেসেছি তোমায়
খাঁটি ভালোবাসা
আর তাই বিপ্লবী পাগল মন বারবার
বেঁচে উঠেছে বিদ্রোহী হয়ে প্রেমে — মানুষের ।
আজ থেকে অপরাজেয় ঘোষণা করছে ; সর্বত্র বয়কট হোক টিম সারমেয় । অপরাজেয় কোন অবস্থায় সারমেয়র সাথে কোন কাজ করবে না ।
সম্পাদক
অপরাজেয় পত্রিকা “
সন্দীপনের ঘোষণায় আগুন জ্বলে উঠলো সারা সাহিত্যের বাজারে । সারমেয় ও অপরাজেয় ; সন্দীপন ও রূপময় ; দুপক্ষই তখন এক প্রতিষ্ঠিত নাম , দুপক্ষই অনলাইন দুনিয়ায় বাজার কাপাচ্ছে যখন , তখন এই বয়কটের ডাক এক নতুন কুরুক্ষেত্রের সূচনা করবে সাহিত্যের বাজারে তা আর বলতে বাকি থাকে না । তবু এত কিছুর পরেও সারমেয়র চুপ করে থাকাটা সন্দীপন ঠিক মেনে নিতে পারছিল না ।
ওদিকে সারমেয়র ওপর নেমে আসা এই অস্থির সময়ে নিজেদের সংযত রাখতে রূপময় বিকেল ৫টায় একটি টেলি মিটিংয়ের ডাক দেয় । মিটিংয়ের খবর সারমেয় গোষ্ঠীর রূপশ্রী সেন , দেবাঞ্জন হালদার ও লেখক দুঃশাসনকে ডাকা হয় । সেই মতো সকলেই হোয়াটসএপে ঠিক ৫টায় টেলি কনফারেন্স-এ যোগ দেয় । সভার প্রথমে সকলকে স্বাগতম জানিয়ে বক্তব্য রাখতে বলা হয় দেবাঞ্জনকে । জলপাইগুড়ি থেকে যোগ দেওয়া দেবাঞ্জন হালদার সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুরু করেন ,
—— দেখুন , অপরাজেয় আমাদের বয়কটের ডাক দিয়েছে । আমি জানি এতে আমাদের কিছু আসবে যাবে না । কিন্তু আমাদের সম্মান ওরা মিথ্যা গল্প ফেঁদে নষ্ট করার যে প্রচেষ্টা করছে তার বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়ানো দরকার । ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি সমস্ত সত্যি কথা আমাদের পাবলিকলি তুলে ধরা উচিত ।
—— দেবাঞ্জন একদম ঠিক বলেছে । আমাদের সম্মান আগে দেখা উচিত ।
রূপশ্রী , দেবাঞ্জনকে সমর্থন করে উত্তর দেয় ।
—— একদমই তাই । বাজারে যেমন রটবে , লোকে তেমন খাবে । এটা ভুলে গেলে চলবে না ।
দেবাঞ্জন বলে ।
রূপময় চুপ করে সব শুনে যাচ্ছিল । এবার সে মাথা তুলে তাকালো একবার । তারপর আস্তে আস্তে মাইকটা কাছে টেনে নিয়ে বলতে শুরু করে ,
—– তোমাদের স্বাধীনতায় আজ অবধি আমি হস্তক্ষেপ করি নি , আজও করবো না । তাই তোমরা যা ইচ্ছে করতে পারো । তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোন কিছু বলার পক্ষপাতি নই । আমাদের কাজ আমাদের পরিচয় হবে এ আমি বিশ্বাস করে এসেছি আর আজও করি । সঠিক কাজের মধ্যে দিয়ে সারমেয়র সম্মান বেঁচে থাকবে ।
এইটুকু বলে সে মিটিং ঘোষণা করে দিলো ।
সেদিন বিকেলের মিটিং শেষ হয়ে গেলেও , সবকিছু শেষ হলনা সে বিকেলে । রূপময়কে সকলে ফোন করে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলো যাতে সে মুখ খোলে , বক্তব্য রাখে পাবলিকলি । কিন্তু সে রাজি হলো না । অবশ্য এ কাজে সে বাকিদেরও বাঁধা দিলো না ।
অবশেষে সেদিন সন্ধ্যায় ফেসবুকে নেমে এলো দেবাঞ্জনের এক ঘোষণা ,
” ঠগ , জোচ্চর হতে সাবধান । অপরাজেয় করার নাম করে এক সম্পাদক লেখকদের ঠকাচ্ছেন । তাদের বয়কট করুন আজই এখনই ” ।
জবাব এলো প্রায় শেষ সন্ধ্যায় , সন্দীপনের পোষ্ট হয়ে তার দেওয়ালে ।
” আমার পরাজয়ের স্বাক্ষী এই শহরের প্রতিটা মঞ্চ । প্রায় অধিকাংশে যাই , পিছনের সিটটায় বসি আবার ফিরে আসি । দেখি মঞ্চের ওপরে কত ভার্চুয়াল ফ্রেন্ডস , তাদের কত কত কমেন্টস । সামনের সারিতে ভুড়ি ভুড়ি লাইকস । স্ট্যাটাসগুলোর অনেক ফলোয়ার্স । আমার সঙ্গে স্বপ্ন শুধু ।
পিছনে বসে থাকা একাউন্টটি জানে তার ক্ষমতা । তেল কেনার পয়সা নেই । তাই একাডেমি বা নন একাডেমি কোনটাই স্বপ্ন জাগায় না । পিছনের সিটটাতেই খুশি একটি আশায় — একদিন সন্ধ্যা তারা হয়ে লগ ইন করলে , মানুষের ভিড় দেখতে পাবে , নিজেরই কবরে ।
এর থেকে বড় অপরাজেয় কি কেউ হতে পারবে ” ??
৩৯।।
ভয়াবহ এই অগ্নি স্রোতে বাংলা সাহিত্যের যে একটি বড় ক্ষতি হতে চলেছে তা বলার দাবি রাখে না । একদিকে যেমন সারমেয় বারবার পোষ্ট করে চলেছে এই উদ্দেশ্য নিয়ে যে অপরাজেয় একটি মিথ্যে প্রতিষ্ঠান , তেমনই অন্যদিকে সন্দীপন বারবার সারমেয়র দিকে আঙ্গুল তুলে চলেছে এই ঘটনার জন্য । অবশেষে হঠাৎ ই রূপময় ফেসবুকে পোষ্ট করে জানায় সেদিন কিভাবে অপরাজেয় দুঃশাসনকে মিথ্যা বলে তার লেখা তুলে নিয়েছিল তার কাছ থেকে । কমেন্টস করে দুঃশাসন সায় দেয় তার কথার । সন্দীপন পোষ্টটি দেখা মাত্র রেগে আগুন হয়ে ওঠে এবং নতুন একটি পোস্টে সব লিখে পাবলিককে জানাবে বলে মনস্থির করে । এদিকে রূপময় পোস্ট করলে নিজাম তৎক্ষনাৎ ফোন করে সন্দীপনকে । নিজামের কল প্রথমে রিসিভ না হলেও , দু তিন বারের প্রচেষ্টায় তুলে নেয় সন্দীপন এবং রেগে তেলে বেগুনে হয়ে চিৎকার করে বলে ওঠে ,
—— কিসব অসভ্যতামি শুরু করেছে দেখছিস ? আজ এদের সমস্ত সত্যি ফেসবুকে খুলে দেবো । মুখোশ টেনে ছিড়ে দেবো দেখ ।
নিজাম সন্দীপনের সব কথা মন দিয়ে চুপ করে শুনছিলো এতক্ষন , এবার শান্ত হয়ে বললো ,
—– তুমি , সত্যবতী দিদিকে লাইনে নাও । আমি জানি তুমি কাউকে কিছু না জানাও , দিদিকে ঠিক বলেছো । তারপর কিছু কথা বলবো । তোমরা দুজনেই স্থির করো , আমি ঠিক না ভুল । এভাবে একা একা তোমায় বোঝাতে পারবো না আর তোমার একটি পদক্ষেপ এই মোক্ষম সময়ে ওদের পক্ষে লাভজনক হতে পারে । মনে রেখো , রূপময় অনেক চিন্তা ভাবনা করে , পরিকল্পনা করে এই চাল দিয়েছে । তাই মাথা ঠান্ডা করো । দিদিকে লাইনে নাও ।
সন্দীপন তখনও রাগে ফুঁসছে । নিজামের কথায় কান না দিয়ে সে রেগে উত্তর দিলো ,
—— দিদির কি প্রয়োজন । যা বলার আমাকে বল ।
নিজাম এবার বেশ গম্ভীর হয়ে বলে উঠলো ,
—— তুমি দিদিকে কনফারেন্সে নেবে কি না ! বলেছি না , আমার একার পক্ষে তোমাকে বোঝানো সম্ভব নয় । আর যদি এটা না করো , আমি আর কিছু বলবো না । তোমার যা ইচ্ছে হয় করো । কিছু উল্টো হয়ে গেলে সব দায় কিন্তু তোমার ।
সন্দীপনের কাছে অগত্যা আর কোন উপায় রইল না । একপ্রকার বাধ্য হয়ে সত্যকে ফোন লাগালো সে । সত্যবতী তখন নিজের ঘরে বসে পড়াশুনা করছে আর বাবা মা দুজনে বেরিয়েছে একটু তখন , ঠিক এমন একটা সময়ে প্রিয় মানুষের ফোন এলে কেউ কি দেরি করে । কানে এয়ারফোনটা লাগাতেই ওপাশ থেকে এক কম বয়সী গলা ভেসে এলো ,
—— নমস্কার দিদি । আমি নিজাম । সন্দীপন দার ভায়ের মতো । পত্রিকা নিয়ে যে গন্ডগোল চলছে তা তুমি সবই জানো । সহ সম্পাদক হিসাবে কিছু উপদেশ দিতাম , কিন্তু আমি জানি দাদা নিজের ছাড়া তোমার কথা মানে । যদি মনে হয় আমি একটুও ভুল , মানা করে দিও ; আর নাহলে সন্দীপন দা কে বুঝিয়ে বলে দিও একটু , প্লিস ।
সত্যবতী বেশ কিছুক্ষণ চুপ থেকে চিন্তা করে নিল আর তারপর উত্তর এলো ,
—– হ্যাঁ , আমি সবই জানি । এও জানি এই লড়াই এক অতি ভয়ঙ্কর পর্যায়ে চলে যাচ্ছে । একে থামানো দরকার নাহলে ….
আবারও কিছুক্ষন নিজের মনের মধ্যে কিছু ভাবনা ভেবে নিয়ে সে বললো ,
—— শুনি । তুমি কি বলতে চাও ।
সন্দীপন এতক্ষন চুপ ছিল । এবার সেও সত্যের কথায় কথা মিলিয়ে বলে উঠলো ,
—— এবার বলে ফেলো দেখি । দিদিও আছে সামনেই । বলে ফেলো ।
নিজাম কিছুক্ষন চুপ থেকে উত্তর দিলো ,
—— সরাসরি ওদের স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করো সন্দীপন দা ।
—— সে কিরকম ?
নিজামের কাছে জানতে চায় সত্যবতী ।
নিজাম শান্ত গলায় বলে যে ওরা যে পোষ্ট করেছে তার কমেন্টসে দাদা সমস্ত আসল ঘটনা দিক । এতে ওরা স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য হবে নতুবা এই পোষ্ট করা থেকে সরে যাবে । ত্রিসম্মতিক্রমে ঠিক করা পরিকল্পনা সেদিন এভাবে কাজ করবে ভাবে নি তারা । অপরাজেয় সম্পাদক কমেন্টসে লিখে জানায় সেদিন কি ঘটেছিল । সে রূপময়কে প্রশ্ন করে যে সেদিন সে রূপময়কে ফোন করে নি ? রূপময়কে সব পরিষ্কার করে বলে নি ? রূপময় আংশিক সম্মতি জানায়নি সেদিন এ বিষয়ে ?
এরপর দিন কেটে রাত নেমে এলেও রূপময়ের পক্ষ থেকে এই সমস্ত কোন উত্তর বা ঘোষণা আসে না । ফেসবুক নিস্তব্ধ হয়ে যায় , ঠিক যেন ঝড়ের পূর্ব মুহূর্ত কোন । অপেক্ষা চলছিল যখন সন্দীপন , সত্যবতী আর নিজামের দিকে ; তখন প্রায় রাত দশটায় এক ভিডিও কনফারেন্সে মিলিত হতে আহবান জানায় রূপময় ঘোষ ।
—– আমরা এই গভীর রাতে আজ এখানে কেন মিলিত হয়েছি , জানা আছে ? না । নেই । কেউ জানে না । শুধু আমি ছাড়া । কিছু কথা আজ তোদের সকলের সাথে ভাগ করে নিতে চাই । সারমেয় আজ সত্যি বিপদের মধ্যে ।
রূপময় বলে চললো আর বাকি সকলে চুপ করে শুনে চলেছে তার কথা ,
—— আজ আমি সেই রাতের সমস্ত ঘটনা বলছি । এর অনেকটাই তোরা জানিস না । তোদের আমি বলেছিলাম যে সন্দীপন আমায় ফোন করে বই করাবে বলেছিল । বলিনি যেটা তা হলো সন্দীপনের কথায় আমিও সম্মতি দিয়েছিলাম । আমি পরের দিন ফেসবুকে ওই পোস্ট করে অন্যায় করেছি । তাই সারমেয়তে থাকার কোন অধিকার আমার নেই ।
বাকিরা বেশ অবাক হয়ে একসঙ্গে বলে ওঠে ,
—— তুমি ছাড়া সারমেয় অনাথ হয়ে যাবে ।
কিন্তু রূপময় কারুর কথা না শুনে ফেসবুকে নিজের ইস্তাফার কথা ঘোষণা করে দেয় , অবশ্য কারণটা অজ্ঞাত-ই রেখে দিয়েছিল সে ।
গভির রাতে ফোনটা বেজে উঠতেই সন্দীপন এক ঝটকায় সেটি রিসিভ করে চিৎকার করে ওঠে , য়াহু । ওপাশ থেকে সত্যবতী শান্ত গলায় একটা মিষ্টি হাসি হেসে বলে ওঠে ,
—— জয় মুবারক । আমি জানতাম আমার গলু কোনদিন ভুল করতেই পারে না । তাই সে জিতবেই জিতবে । এবার নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ো । কাল অফিস যেতে হবে তো আবার ।
সত্যবতী ও সন্দীপন পরস্পরকে ভালোবাসার তিনটে শব্দ বলে ঘুমিয়ে পড়ে এরপর ।