সবারই লজ্জা আছে –গাছ -গাছরা, পশু, পাখি, কীট -পতঙ্গ, জীব -জন্তু, মানুষ -মানুষী সবাকার ।
সব কিছু খোলাখুলি, মাখামাখি —
তারপর ওঠে শিহরণ, উলঙ্গ বিকার ।
তবু স্থিতি হয়–জীবনের ভালোবাসা
নি:শব্দ নিভৃতে —গভীর অন্ধকার ।
তারপর কালের চাকা ঘুরে ঘুরে—
দূরত্ব বেড়ে যায় প্রকৃতির,
স্বর্গ হতে আসা, ভালোবাসা ভঙ্গুর হয়
প্রেম জ্বলে পুড়ে মরে, একই ঘরে, মরচে ধরা
ব্লেডের জ্বালায়, মন উদাস হয় —-
ফুরিয়ে যেত চায় দাবানালের মতা ।
অবশেষে একাকিত্ব আসে ধেয়ে, হারিয়ে যায় সুখের নীড় —মিথ্যে প্রবাঞ্চনায় ।
পুরুষ ও প্রকৃতি বিচ্ছিন্ন হয় —লজ্জায়.
ওরা দিন রাত পাশা –পাশি একই ঘরে থাকে তবুও
এমানো তো কথা আছে বলা যায় না “,
এমনো তো বাসা আছে থাকা যায় না ।
উভয়ের প্রেম ক্রমে ক্ষীণ হয়ে আসে —
হারিয়ে যায় আনন্দ “, মুহূর্তের চাঁপা ক্রোধে,
তবু হেসে কথা কয় ওরা –সবটাই কী অভিনয় “,
নাকি, কিছুটা নৈমিত্তিক দায়?