হৈচৈ কবিতায় সুজিত কুমার দাস

লজ্জা

সবারই লজ্জা আছে –গাছ -গাছরা, পশু, পাখি, কীট -পতঙ্গ, জীব -জন্তু, মানুষ -মানুষী সবাকার ।
সব কিছু খোলাখুলি, মাখামাখি —
তারপর ওঠে শিহরণ, উলঙ্গ বিকার ।
তবু স্থিতি হয়–জীবনের ভালোবাসা
নি:শব্দ নিভৃতে —গভীর অন্ধকার ।
তারপর কালের চাকা ঘুরে ঘুরে—
দূরত্ব বেড়ে যায় প্রকৃতির,
স্বর্গ হতে আসা, ভালোবাসা ভঙ্গুর হয়
প্রেম জ্বলে পুড়ে মরে, একই ঘরে, মরচে ধরা
ব্লেডের জ্বালায়, মন উদাস হয় —-
ফুরিয়ে যেত চায় দাবানালের মতা ।
অবশেষে একাকিত্ব আসে ধেয়ে, হারিয়ে যায় সুখের নীড় —মিথ্যে প্রবাঞ্চনায় ।
পুরুষ ও প্রকৃতি বিচ্ছিন্ন হয় —লজ্জায়.
ওরা দিন রাত পাশা –পাশি একই ঘরে থাকে তবুও
এমানো তো কথা আছে বলা যায় না “,
এমনো তো বাসা আছে থাকা যায় না ।
উভয়ের প্রেম ক্রমে ক্ষীণ হয়ে আসে —
হারিয়ে যায় আনন্দ “, মুহূর্তের চাঁপা ক্রোধে,
তবু হেসে কথা কয় ওরা –সবটাই কী অভিনয় “,
নাকি, কিছুটা নৈমিত্তিক দায়?
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।