এবার পুজোটা যেন কেমন ফ্যাকাসে না রে বল? কমলিকা আর মধুমিতার মধ্যো কথা হচ্ছিল ফোনে। মধুমতি বলল ঠিকই বলেছিস। এবছর আর সেই আনন্দ কোথায় বল?একের পর এক উৎসব আসছে আর চলে যাচ্ছে। কিছুই মনে হচ্ছে না।
কমলিকা শুধু গতবছরের কথা ভাব। এই সময় আমাদের মার্কেটিং প্রায় হয়ে গিয়েছিল। কলেজ থেকে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে আমরা বেড়িয়ে পরতাম। তারপর সোজা গড়িয়াহাট। টিউশানির পয়সাগুলো জমানো থাকতো আর তা দিয়েই মার্কেটিং। ফেরার সময় কেবিনে বসে চুটিয়ে আড্ডা আর খাওয়া দাওয়া। ঠিকই বলেছিস মধুমতি বড্ড মন খারাপ লাগছে রে। কি হবে বলতো?
আরে অতো বেশি ভাবিস না দ্যাখ পুজো আসতে আসতে অনেকটাই ঠিক হয়ে যাবে।
নিজেকে একটু ঠিক ঠাক রাখ আমরা আশা ছাড়ছিনা।
কমলিকা ঠিকই বলেছিস বছরে তো একবারই পুজো আসে আমরা আশা ছাড়বো কেন? আনন্দ আমরা করবোই। মধুমতি শোন আগের বছরের মতো অতোটা না হলেও কিছু একটা তো করবোই।
মহালয়ার রাতে তোদের বাড়ির পিকনিকটা কিন্তু ছাড়বো না।রাত জেগে সেই পিকনিক খাওয়া দাওয়া হইহুল্লোড় সবাই মিলে ভাবা যায় কি আনন্দ! ভোর হতেই মহালয়া। কমলিকা সব ঠিক ঠাক থাকলে এবছরও করবো। সেই আমেজটা কি মন থেকে ঝারা যায়। শিউলি ফুলের গন্ধ সেই পুজো পুজো ভাব সেই বীরেন্দ্র কৃষ ভদ্র! আশা রাখ ঠিক থাক সব হবেই।