তানিয়া আর দুষ্টু বাবার সাথে সেদিন বাজারে গেছে। তানিয়া বড় হওয়ায় অনেক কিছু বুঝতে শিখেছে।আর দুষ্টু অতো কিছু বোঝে না।যা চোখে ভালো লাগে তাতেই নেচে ওঠে।দুষ্টু বাজারে রঙ-বেরঙ পতাকা দেখে খুব খুশি হলো।বাবাকে বলল বাবা আমি এ গুলো কিনে বাড়ি সাজাবো।বাবা মেয়ের কথায় না বলল না,বলল ঠিক আছে কেনো।দুষ্টু অনেক গুলো পতাকা কিনে ফেলল। তানিয়া দুষ্টু কে বলল,বোন জানিস এ গুলো কিসের পতাকা?না দিদি। এগুলো ভারতের জাতিয় পতাকা।দিদি এগুলো আমার খুব ভালো লেগেছে তাই বাবাকে কিনে দিতে বলেছি।বোন তুই খুব ভালো করেছিস।তুই তো অতো বুঝিস না কয়েকদিন পর আমাদের দেশের স্বাধীনতা দিবস।তাই বাজারে এই পতাকা গুলো বিক্রি হচ্ছে।১৫ আগষ্ট আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছিল। তাই প্রত্যেক বছর এই দিন টি আমাদের দেশে প্রত্যেক জায়গায় আনন্দের সাথে পালন করা হয়।
দুষ্টু বাড়ি গিয়ে বাবার সাথে সোজা ছাদে উঠে গেল।বাবাও ছোট মেয়ের কথা অমান্য করতে পারল না বাজারের ব্যাগ নামিয়ে মেয়ের সাথে ছাদে চলে গেল।মেয়ের কথা মতো ছাদের চারিদিকে দড়ি টানিয়ে কাগজের পতাকা গুলো আঠা দিয়ে লাগাতে থাকলো।বাবারও খুব আনন্দ হলো দুদিন পর ভারতের স্বাধীনতা দিবস।ওই দিন কি কেউ ভুলতে পারে,নিজের দেশ মাতৃভূমি বলে কথা।মেয়েকে এবার বোঝাতে লাগলো জান মা তোমার সাথে আমার ও খুব আনন্দ হচ্ছে বলে চলে এলাম। চারিদিকে সেজে উঠেছে সবাই আনন্দ করছে আমাদের দেশের স্বাধীনতা দিবস বলে। এক সময় আমাদের দেশ পরাধীন ছিল, তখন আমাদের দেশ শাসন করতো ইংরেজরা।এই ইংরেজদের হাত থেকে দেশকে বাঁচায়ে বহু সংগ্ৰামের পর দেশ স্বাধীন হয়।সে দিন থেকে আমরা স্বাধীন ভারতের নাগরিক।
জানিস মা আজ যে কি আনন্দ হচ্ছে তোকে বলতে পারবো না।আজ স্বাধীনতা দিবস। ভারতের স্বাধীনতা দিবস।তোর মাকে আর দিদিকে ডাক আমরা সবাই মিলে ভারত মাতাকে প্রনাম করবো ছাদে গিয়ে।